বুয়েনস আইরেস:  প্রয়াত মারাদোনা। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চলে গেলেন ফুটবলের ভগবান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০ বছর।

সপ্তাহ দুয়েক আগে বাড়িতেই হার্টঅ্যাটার্ক হয় তাঁর। রাতারাতি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। ব্রেনের রক্তজমাট বেঁধেছিল তাঁর। দ্রুত মারাদোনার অস্ত্রপচারের সিদ্ধান্ত নেন ডাক্তাররা।

যদিও অস্ত্রপচার সফল হয় ফুটবলের রাজপুত্রের। হাসপাতাল থেকে ছেড়েও দেওয়া হয় তাঁকে। বাড়ি ফিরে যান তিনি। কিন্তু বাড়ি ফেরার পর ফের একবার হার্ট অ্যাটাক। আর তারপরেই লড়াই শেষ।

সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসাবে বিবেচিত হতেন মারাদোনা। তাঁর হাত ধরেই ১৯৮৬ সালে ফুটবল বিশ্বকাপ ওঠে আর্জেন্টিনার ঘরে। বোকা জুনিয়ার্স, নাপোলি এবং বার্সালোনার হয়ে ক্লাব ফুটবল খেলেছেন তিনি।

বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ ফুটবলপ্রেমী এখনও তাঁকে ভগবানের চোখে দেখেন। আর ভগবানের হঠাত প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বিশ্ববাসী। এখনও কেউ মেনে নিতে পারছেন না সত্যিই ফুটবলের রাজপুত্র আর নেই!!

জানা যাচ্ছে, গত ১১ নভেম্বর সন্ধ্যে ৬টায় তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া হয়। সেদিন তাঁকে এক ঝলক দেখার জন্যে রাস্তায় ছিল অসংখ্য ফুটবলপ্রেমী। ছিলেন অসংখ্য ফুটবলপ্রেমীর ভিড়। তবে তাঁরাও হয়তো সেদিন জানতে না যে এটাই হবে শেষ দেখা!!!

ফুটবলের সম্রাটকে ঘিরে ছিল একাধিক বিতর্ক। কখনও মারিজুয়ানা তো কখনও অ্যালকোহলের নেশায় বারবার জড়িয়েছে তাঁর নাম। জীবনে একাধিক বান্ধবী সঙ্গের কথাও শোনা যায়। খেলার মাঠ ছাড়ার পর থেকেই তাঁর বেহিসেবি জীবন যাত্রা বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে।

২০০৫ সালে ওজন কমানোর জন্যে অপারেশন হয় তাঁর। বছর দুয়েক আগে অ্যালকোহল জনিত হেপাটাইটিসের জন্যে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল তাঁকে। ২০০০ সালে অতিরিক্ত কোকেন নেওয়ার কারণে মারাত্মক এক হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি।

বলা প্রয়োজন, কলকাতায় একাধিকবার পা রেখেছিলেন ফুটবলের ঈশ্বর। কলকাতা এবং বামপন্থার সঙ্গে তাঁর এক ছিল নিবিড় সম্পর্ক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।