মুম্বই: পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই আমিরশাহিতে ২০২০ আইপিএলের সূচিতে সিলমোহর পড়ল রবিবার। এদিন গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠক শেষে জানানো হয়েছে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর মধ্যপ্রাচের দেশটিতে আইপিএলের ঢাকে কাঠি পড়তে চলেছে।

টুর্নামেন্টের মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১০ নভেম্বর। তবে সারা বিশ্বের অতিমারী কোভিড১৯-র কথা মাথায় রেখে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে আইপিএলের গভর্নিং বডি। গর্ভনিং কাউন্সিলের বিশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৫৩ দিনের এই টুর্নামেন্টে এবার নেওয়া যাবে কোভিড পরিবর্ত ক্রিকেটার।
অর্থাৎ, টুর্নামেন্ট চলাকালীন স্কোয়াডের কোনও ক্রিকেটার কোভিড১৯ আক্রান্ত হলে তাঁর পরিবর্ত

ক্রিকেটারকে দলে নিতে পারবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। ত্রয়োদশ সংস্করণের জন্য ২৪ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করতে পারবে প্রত্যেকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি। প্রাথমিকভাবে ৮ নভেম্বর এবং ১০ নভেম্বরের মধ্যে ফাইনালের দিন নিয়ে সংশয় ছিল। এদিন গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকে ১০ নভেম্বর দিনটিকেই ফাইনালের দিন হিসেবে ধার্য করা হল। অর্থাৎ, এই প্রথম উইক ডে’তে অনুষ্ঠিত হবে আইপিএল ফাইনাল।

আইপিএলের ত্রয়োদশ সংস্করণ হতে চলেছে ৫৩ দিনের একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিযোগীতা। ভারতীয় সময় সন্ধে ৭টা ৩০ মিনিটে ক্লোজ-ডোর অনুষ্ঠিত হবে আইপিলের সমস্ত ম্যাচ। ১০টি ডাবল হেডার রাখা হয়েছে টুর্নামেন্টে, যার প্রথম ম্যাচগুলি অনুষ্ঠিত হবে বিকেল ৩ টে ৩০ মিনিটে।

২৬ অগস্টের পরবর্তী সময় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো টুর্নামেন্ট খেলতে রওনা দিতে পারবে আমিরশাহির উদ্দেশ্যে। উল্লেখ্য, এর আগে দেশে ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের কারণে আইপিএলের প্রথমদিকের ম্যাচগুলি অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইউএই বা সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে। অর্থাৎ, এই মেগা ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট আয়োজনে অভিজ্ঞতার কারণেই কোভিড আবহে দ্বিতীয়বারের জন্য আইপিএল আয়োজনের কেন্দ্র হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিকে বেছে নিল বিসিসিআই। তাছাড়া সেদেশে কোভিড সংক্রমণের মাত্রা অনেক কম হওয়াও একটা অন্যতম কারণ। দুবাই, আবুধাবি এবং শারজা দেশের তিনটি শহরকে আইপিলের ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে এখন অপেক্ষা সরকারি অনুমোদনের। সেটা মিলে গেলেই আইপিএল শুরু হওয়ার রাস্তা সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে যাবে।
পাশাপাশি চিনা সমস্ত স্পনসরকে আইপিএলে অন্তর্ভুক্ত রাখা হচ্ছে বলেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এদিনের বৈঠকে। উল্লেখ্য, গত ২৯ মার্চ প্রাথমিকভাবে দেশের মাটিতে শুরু হওয়ার কথা ছিল এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জেরে দেশ লকডাউনে চলে যাওয়ায় আইপিএলের আকাশে অনিশ্চয়তার মেঘ তৈরি হয়। স্থগিত হয়ে যাওয়া টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য উপযুক্ত উইন্ডো খুঁজছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টি২০ বিশ্বকাপ সম্প্রতি স্থগিত হতেই কোমর বেঁধে টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য ঝাঁপায় বিসিসিআই। মধ্যপ্রাচ্যের দেশের সরকারি সিলমোহর মিলতেই আইপিএল আয়োজনের পথ অনেকটা পরিষ্কার হয়ে যায়।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা