পুনেঃ  বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল পুণের সিরাম ইনস্টিটিউটে। আগুনের গ্রাসে পড়ে গোটা ইনস্টিটিউট জুড়ে ছড়ায় তীব্র আতঙ্ক। একেবারে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। ভয়াবহ এই ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের দশটি ইঞ্জিন। তারা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ চালায়।

জানা গিয়েছে, ঘটনার কয়েক ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে এখনও ঘটনাস্থলে দমকলের ইঞ্জিন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখানেই তৈরি হয়েছে করোনার ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড। মজুত করা রয়েছে। যদিও সূত্র মারফত মিলেছে স্বস্তির খবর, সুরক্ষিত রয়েছে মজুত কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন। শিল্ড।

জানা গিয়েছে, সিরাম ইনস্টিটিউটের মধ্যে এক প্রশাসনিক ভবনে আগুন লাগে। সিরাম ইনস্টিটিউটটি বেশ কয়েক একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত। যে অংশে আগুন লেগেছে, তার আশেপাশের অঞ্চলে কোভিশিল্ড নয়, তৈরি হয় বিসিজি ভ্যাকসিন। কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন যে অংশে তৈরি হয় তা আগুন লাগা অংশের থেকে বেশ অনেকটা দূরে।

তাই সেখানে আগুনের কোনও আঁচ পড়েনি। তাই করোনারোধী ভ্যাকসিন মজুত থাকার জায়গা অক্ষতই রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেছে সিরাম ইনস্টিটিউট। সংস্থার পক্ষ জানা গিয়েছে, প্রশাসনিক একটি ভবনের তৃতীয় ও চতুর্থ তলে আগুন লাগে।

সেই ভবনে সিরামের যে কর্মচারীরা বসেন, তাদের অক্ষত অবস্থাতেই নিরাপদ স্থানেই সরিয়ে নিয়ে যাওয়াও গিয়েছে বলে খবর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।