নয়াদিল্লি: দেশ জুড়ে বাড়ছে করোনার আতঙ্ক। আর এরই মধ্যে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। ইতিমধ্যে দিল্লির একাধিক জায়গায় প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। আর এরই মধ্যে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে দিল্লির একাধিক প্রান্ত। জানা যাচ্ছে রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা 4.6। হঠাত কম্পনে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

জানা যাচ্ছে, হঠাত কম্পনে রীতিমত ছোটাছুটি লেগে যায় সাধারণ মানুষের মধ্যে। নিরাপদের খোঁজে অনেকেই বিভিন্ন জায়গায় ছুটে যান বলে জানা যাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। এমনকি নেই ক্ষয়ক্ষতির খবরও।

ভূমিকম্পের উৎসস্থল হরিয়ানার রোহতাক। উৎসস্থলের গভীরতা ৩.৩ কিলোমিটার। রাত ঠিক ৯ টা ৮ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। বেশ কয়েক সেকেন্ড ওই কম্পন স্থায়ী হয়। উৎসস্থল দিল্লি থেকে ৬৫ কিলোমিটার দূরে।

৭-৮ সেকেন্ড ধরে ঘরের বিছানা, ফ্যান দুলতে থাকে বলে জানাচ্ছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

লকডাউনে এই নিয়ে পঞ্চমবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের রাজধানী শহর দিল্লি। এর আগে ১৫ মে উত্তর-পশ্চিম দিল্লির পীতামপুরা এলাকায় সকাল ১১টা বেজে ২৮ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়েছে।

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজিকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, “রিখটার স্কেলে ২.২ তীব্রতার মৃদু কম্পন বোঝা গিয়েছে”।

সপ্তাহখানেক আগে, ৩.৪ তীব্রতার একটি ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল উত্তর-পূর্ব দিল্লির সোনিয়া বিহার অঞ্চল। কোনও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। ভূপৃষ্ঠ থেকে পাঁচ কিলোমিটার গভীরে কম্পন অনুভূত হয়। লকডাউনে এই নিয়ে চারবার ভুমিকম্প অনুভূত হল রাজধানী শহর দিল্লিতে।

এর আগে, মে মাসের ১০ তারিখে উত্তর-পূর্ব দিল্লির ওয়াজিরাবাদে ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৫। এপ্রিল মাসের ১২ ও ১৩ তারিখ পরপর ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল দিল্লি।

এপ্রিলের ১৩ তারিখের ভূমিকম্প বোঝা গিয়েছে। সোমবার রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ২.৭। সোমবার ঠিক দুপুর ১টা ২৬ মিনিটে এই কম্পন অনুভূত হয়। উৎসস্থলের গভীরতা ছিল ৫ কিলোমিটার।

তার আগের দিন অর্থাৎ এপ্রিলের ১২ তারিখে কম্পন বোঝা গিয়েছে রাজধানী দিল্লি সহ বিস্তির্ণ অঞ্চলে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৫। প্রায় পাঁচ সেকেন্ড ধরে কম্পন অনুভূত হয়েছে। পূর্ব দিল্লি ছিল এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV