কলকাতা: বিজেপির নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের সমর্থনে মিছিলের উপর শাসক দলের পুলিশ বাহিনীর হামলার অভিযোগ তুলল প্রাক্তন সাংসদ অনুপম হাজরা। একদিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতা করে মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রতিবাদ মিছিল। অন্যদিকে, পাল্টা গেরুয়া শিবিরের সিএএ’র সমর্থনে মিছিল। যা নিয়ে সকাল থেকেই সরগরম রাজ্য-রাজনীতি।

বেলা যত গড়িয়েছে ততই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে উত্তেজনার পারদ চড়ছে শাসকদল এবং বিরোধী দলের মধ্যে। শহরের একপ্রান্তে মুখ্যমন্ত্রী যখন সাধারণ মানুষকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে প্রতিবাদের কথা বলছেন, তখন শহরের অন্যপ্রান্তে নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে বিজেপির মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার অবস্থা।

আজ সোমবার নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে গড়িয়া মোড় থেকে যাদবপুর ৮বি বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত মিছিল ছিল বিজেপির। গত পাঁচ দিন আগে বিজেপিকে গড়িয়া মোড় থেকে যাদবপুর ৮বি বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত এই মিছিল করার অনুমতি দিয়েছিল পুলিশ। বিজেপির তরফে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী মিছিল শুরু হয় এদিন। প্রথমে মিছিল শান্তিপূর্ণ ভাবে চললেও, মিছিল যত এগোতে থাকে ততই এই মিছিল ঘিরে উত্তেজনা শুরু হয়। বিজেপির মিছিল আটকাতে গড়িয়ার সুলেখা মোড়ের কাছে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় বিজেপি কর্মীদের। মিছিলের উপর পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে অভিযোগ, অনুপমের। যা নিয়ে রীতিমত রাজ্যের পুলিশকে দুষেছেন প্রাক্তন সাংসদ।

অনুপম জানিয়েছেন, মানুষকে ভুল বোঝানো হচ্ছে। নাগরিকত্ব দেওয়ার বিল, ছিনিয়ে নেওয়ার বিল নয়, এটা মানুষকে বোঝানোর জন্যেই এই মিছিল বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতা। একই সঙ্গে অনুপম তীব্র ভাষায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানিয়েছেন।

বিজেপির বিশাল মিছিল ঘিরে যাদবপুর সুলেখা মোড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। আটকে পড়ে বহু গাড়ি। যদিও দ্রুত ট্র্যাফিক মোকাবিলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় সেখানে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ