কলকাতা:  বাংলায় করোনায় আক্রান্ত আরও পাঁচ। পাঁচজনই একই পরিবারের বলে জানা যাচ্ছে। এক ধাক্কায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৫। যা যথেষ্ট চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে রাজ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।

শুক্রবার ওই পাঁচজনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তাঁদের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছে এক নয় মাসের এবং এক ছয় বছরের শিশুও। রয়েছে এক ১১ বছরের কিশোরও। এছাড়া ২৭ বছরের এক তরুণী এবং ৪৫ বছরের এক মহিলা আক্রান্ত হয়েছে।

জানা গিয়েছে এই পরিবার গত কয়েকদিন আগেই দিল্লিতে গিয়েছিল। জানা যাচ্ছে, দিল্লিতে লন্ডন ফেরত একজনের সংস্পর্শে আসে এই পরিবার। সেখান থেকেই সংক্রমণ ঘটতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি বিমানে কলকাতা ফিরেছেন এই পরিবার। কলকাতায় ফিরে ওই  পরিবারের সদস্যরা কোথায় গিয়েছিলেন, কাদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। শুধু তাই নয়, ফেরার সময় কাদের সংস্পর্শে এসেছে এই পরিবার সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এই ঘটনাটি।

জানা যাচ্ছে, এই পরিবার নদিয়ার তেহট্টের বাসিন্দা। গত কয়েকদিন আগে তেহট্টে ফেরে তাঁরা। সেখান থেকে ফেরার পরেই হোম আইসোলেশনে রাখা হয়। কিন্তু সেটা মানা হয়েছে কিনা তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে তেহট্টের জেলাশাসককে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এই পরিবার সেখানে কার কার সঙ্গে সঙ্গে মিশেছে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও সঙ্কটজনক নয়াবাদের আক্রান্ত ব্যক্তি। তার পরিবারের চার সদস্যকে ভর্তি করা হলো হাসপাতালে। এসএসকেএম হাসপাতালে তাদের নমুনা পাঠানো হয়েছে।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত নয়াবাদের এক ব্যক্তি বেলেঘাটা আইডি তে ভর্তি । তার অবস্থা বেশ সঙ্কটজনক। বর্তমানে তাঁকে আইসিসিইউতে রাখা হয়েছে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে তার ফুসফুসেও।

এর পরই ওই আক্রান্ত ব্যক্তির পরিবারের চার সদস্যকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি তার এক আত্মীয়কে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্তমানে তারা এম আর বাঙ্গুর হাসপাতালে ভর্তি। এতদিন এরা হোম কোয়ারেনটাইনে ছিলেন। প্রতি মুহূর্তে নজরে রেখেছেন ডাক্তাররা। খোঁজখবর রাখছে স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরাও। সূত্রের খবর, নয়াবাদের ওই ব্যক্তির বয়স প্রায় ৬৬। তাঁর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা অনেকটাই কমে গিয়েছে।