Demo Pic

নয়াদিল্লি: উৎসবের রেশ কাটিয়ে ফের দুর্যোগের মোকাবিলায় বাংলার মানুষ৷ ফলে অনেকেরই ভোটার কার্ড সংশোধন করা সম্ভব হয়নি। ফলে সাধারণ মানুষের দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু কিছুটা হলেও স্বস্তি দিল নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকা সংশোধনের সময়সীমা আরও ১১ দিন বাড়িয়ে দিল কমিশন। অর্থাত্ ১৮ নভেম্বর পরিবর্তে নির্বাচন কমিশনের ইলেকটর্স ভেরিফিকেশন প্রোগ্রাম বা ইভিপি চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। এর মধ্যে সবাইকে ভোটার কার্ডে কোনও ভুল বা কিছু পরিবর্তন করতে হলে তা সংশোধন করতে হবে বলে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে। সংশোধনী ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ২০২০ সালের ৭ ফ্রেব্রুয়ারি৷

জেনে নিন যাচাই পদ্ধতি:

অনলাইনের মাধ্যমে ভোটার তালিকা সংশোধন করা সম্ভব। আর এজন্যে প্লে-স্টোর থেকে ভোটার-হেল্পলাইন অ্যাপ ডাইনলোড করে নিতে হবে। এরপর অ্যাপটি আপনার ফোনের বেশ কয়েকটি ড্রাইভের ‘অ্যাক্সেস’ চাইবে। ‘অ্যাগ্রি’ অপশনে ক্লিক করে প্রথমে ‘ভোটার-হেল্পলাইন’-কে আপনার স্মার্টফোনের কয়েকটি ড্রাইভের ‘অ্যাক্সেস’ দিয়ে দিন। এরপর Electoral Verification Programme-এর লেখা ট্যাবে ক্লিক করলেই শুরু হয়ে যাবে ভোটারের তথ্য যাচাই করার প্রক্রিয়া। চাওয়া হবে আপনার মোবাইল নম্বর। এই মোবাইল নম্বর লিঙ্ক করা হবে আপনার ভোটার কার্ডের সঙ্গে। আপনার রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বরে আসা ওটিপি অ্যাপের নির্দিষ্ট অংশে সাবমিট করে লগ ইন করুন।

এ বার এপিক নম্বরের সাহায্যে আপনার ভোটার কার্ডের তথ্য খতিয়ে দেখা হবে। আর তা পাওয়া গেলে ‘its me’ অপশনে গিয়ে ক্লিক করতে হবে। এর পর মোবাইলের স্ক্রিনে আসা ‘YES’ অপশনে ক্লিক করলেই ভোটার কার্ডের সঙ্গে আপনার রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বরটি খুব সহজেই আপডেট করে ফেলা সম্ভব হবে। ভোটার কার্ডের সঙ্গে আপনার মোবাইল নম্বরটি আপডেট হয়ে গেলে‘OK’ অপশনে ক্লিক করলে মোবাইলের স্ক্রিনে খুলে যাবে আপনার ছবি-সহ ভোটার কার্ড।

এখানে ‘MODIFY’ অপশনে ক্লিক করে বদলে ফেলা যাবে আপনার নাম, পদবি, ঠিকানা-সহ তথ্য। তবে এর জন্য উপযুক্ত নথিপত্রের ছবি বা পিডিএফ ফাইল অ্যাপের নির্দিশ্য জায়গায় আপলোড করতে হবে। এর জন্য ‘Type of Document’-এ ক্লিক করে উপযুক্ত ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে। এ বার জিপিএস-এর (GPS) মাধ্যমে আপনার বর্তমান ঠিকানা আর অবস্থান (কারেন্ট লোকেশন) সম্পর্কিত তথ্য ইলেকশন কমিশনে দফতরের নির্দিষ্ট সিস্টেমে নথিভুক্ত হয়ে যাবে।