কলকাতা: প্রয়াত তৃণমূল বিধায়ক তথা সর্বভারতীয় তৃণমূলের কোষাধ্যক্ষ তমোনাশ ঘোষ। বুধবার সকালে একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০ বছর।

গত ২২ মে করোনা ধরা পড়েছিল তাঁর। সে সময় থেকেই প্রচন্ড শ্বাস কষ্টে ভুগছিলেন তিনি। গত এক মাসের বেশি সময় তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। বুধবার সকালে কার্ডিয়াক অ্যাটাক হয়৷ তারপর মাল্টিঅর্গ্যান ফেলিওর হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর৷ বয়স হয়েছিল ৬০ বছর৷ যখন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, তখন থেকেই বেশ গুরুতর অবস্থা ছিল তাঁর।

শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। টুইট করে তিনি বলেন, “খুবই, খুবই দুঃখের বিষয়। ১৯৯৯ সাল থেকে ফলতার তিনবারের বিধায়ক ও দলের কোষাধ্যক্ষ তমোনাশ ঘোষ আজ আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ৩৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি জনগণ ও আমাদের দলের নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। তাঁর সামাজিক কাজের মাধ্যমে অনেক অবদান রয়ে গিয়েছে।”

করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন রমোনাশবাবুর দুই মেয়েও। তাঁরা অবশ্য সুস্থ রয়েছেন। দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ নিগমের চেয়ারম্যানও ছিলেন তিনি৷

উল্লেখ্য, বিরাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুও করোনা আক্রান্ত হয়ে অ্যাপোলো হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছিলেন। তিনি তমোনাশের পরে ভর্তি হন। তবে করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে ফিরে এসেছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.