নয়াদিল্লি: কংগ্রেস নেতা এবং রাজস্থানের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সচিন পাইলটের কোনও সমস্যা থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমেই মিটিয়ে নেওয়া সম্ভব, একাধিকবার এমন বার্তা দেওয়া হয়েছে। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, সচিন পাইলট মঙ্গলবারের বৈঠকে থাকবেন না বলেই জানা যাচ্ছে সূত্র মারফত।

রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা অশোক গেহলটের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে মতানৈক্য তৈরি হয় রাজ্যের উপ মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেসের যুব নেতা সচিন পাইলটের। প্রকাশ্যেই দলের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেন তিনি।

এমনকী তাঁর কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া নিয়েও তৈরি হয় জল্পনা। এরই মধ্যে দিল্লি গিয়ে বিজেপি নেতা তথা পারিবারিক বন্ধ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার সঙ্গেও দেখা করেন পাইলট। কংগ্রেস ছেড়ে সচিন বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে জল্পনা আরও জোরালো হয়।

সোমবার জয়পুরে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের বাড়িতে জরুরি বৈঠক ডাকে কংগ্রেস। সেই বৈঠকে দলের সব বিধায়ককে উপস্থিত থাকতে বলা হয়। তবে বৈঠক এড়িয়ে যান সচিন পাইলট ও তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজন বিধায়ক। যদিও আস্থা প্রমাণে বিশেষ বেগ পেচে হয়নি দুঁদে রাজনীতিবিদ গেহলটকে। রাজস্থান কংগ্রসের মোট ১০৭ বিধায়কের মধ্যে ৯৭ জনই সোমবারের বৈঠকে হাজির ছিলেন।

সচিন পাইলটের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা মেটানোর পক্ষপাতী কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। সোমবারই দলের মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা জানান, কোনও সমস্যা থাকলে দলে আলোচনা করে মেটানো যেতে পারে। সচিন পাইলট ও অন্য বিদ্রোহী কংগ্রেস বিধায়কদের জন্য দলের দরজা সব সময় খোলা রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবারও ফের একটি বৈঠক ডেকেছে কংগ্রেস। সেই বৈঠকে যোগ দিতে বলা হয়েছে পাইলটকে। রাজস্তানে দলের তরফে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অবিনাশ পান্ডে এদিন বলেন, ‘সচিন পাইলটকে আমরা দ্বিতীয় সুযোগ দিতে চাই। আজকের বৈঠকে তাঁকে থাকতে বলা হয়েছে। আমি আশাবাদী, দলের সব বিধায়কই আজকের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন এবং দলীয় নেতৃত্বের প্রতি আস্থা জ্ঞাপন করবেন। রাজস্থানের সার্বিক উন্নতির জন্য আমরা কাজ করে যাব।’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ