নয়াদিল্লি: ফের করোনা আক্রান্ত আইপিএলে খেলা ক্রিকেটার৷ এবার সানরাইজার্স হায়দরাবেদের উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান ঋদ্ধিমান সাহার কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে৷ একই সঙ্গে দিল্লি ক্যাপিটালসের লেগ-স্পিনার অমিত মিশ্রের কোভিড টেস্টের রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে বলে জানা গিয়েছে৷ সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো না-হলেও সুত্রের খবর এই ক্রিকেটার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন৷

মঙ্গলবার দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিুদ্ধে মাঠে নামার কথা সানরাইজার্স হায়দরাবাদের৷ কিন্তু ঋদ্ধিমান সাহা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় এই ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা নেই৷ কারণ বিসিসিআই ও আইপিএলের নিয়মে দলের কোনও ক্রিকেটারের কোভিড টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ এলে বাকি সদস্যদের অন্তত পাঁচ-ছ’দিন আইসোলেশনে থাকতে হয়৷ ফলে মঙ্গলবার মুম্বই-সানরাইজার্স ম্যাচটিও স্থগিত হতে চলেছে৷

সো্মবার কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুই ক্রিকেটার মিস্ট্রি স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী ও পেসার সন্দীপ ওয়ারিয়ের করোনা আক্রান্ত হন৷ ফলে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় আমদাবাদে বিরাট কোহলিদের বিরুদ্ধে মাঠে নামা হয়নি কিং খানের দলের৷ দুই ক্রিকেটারের কোভিড টেস্ট পজিটিভ আসায় কলকাতা নাইট রাইডার্স ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ম্যাচ স্থগিত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিল আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল৷ তরে বরুণ ও সন্দীপের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এলেও দলের বাকি সদস্যদের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে৷ কিন্তু আইপিএল ও বোর্ডের নিয়মানুসারে একজন ক্রিকেটারের রিপোর্ট এলে দলের বাকি সদস্যদেরও পাঁচ থেকে ছ’দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়৷ ফলে পুরো কেকেআর টিম-কে হার্ড কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়৷

এখানেই শেষ নয়, সোমবারটা ছিল চলতি আইপিএলে সবচেয়ে খারাপ দিন৷ কেকেআর-এর দুই ক্রিকেটারের করোনা আক্রান্তের খবর সামনে আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চেন্নাই সুপার কিংসের সঙ্গে যুক্ত তিনজনের কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ আসে৷ সিএসকে-র বোলিং কোচ লক্ষ্মীপতি বালাজি, সিইও কাশী বিশ্বনাথন এবং টিম বাস ক্লিনার করোনা আক্রান্ত হন৷ তবে সুপার কিংসের সকল ক্রিকেটার ও বাকি সাপোর্ট স্টাফের কোভিড টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে৷ একই সঙ্গে সোমবার দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামের পাঁচজন গ্রাউন্ড স্টাফের করোনা আক্রান্তের খবর সামনে আসে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.