নয়াদিল্লি: করোনা সংক্রমণ রুখতে সারা দেশে চলছে লকডাউন৷ ফলে থমকে গিয়েছে ট্রেনের চাকা৷ ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে লকডাউন৷ তারপর পরিস্থিতি কী হবে এখনও কেউ জানেন না৷ কিন্তু লকডাউন বাড়ানো হোক বা না-হোক, ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত তিনটি ট্রেনের বুকিং বাতিল করল আইআরসিটিসি৷

৩০ এপ্রিল পর্যন্ত কোনও বুকিং নেওয়া হবে না বলে চারদিন আগেই জানিয়েছিল এয়ার ইন্ডিয়া৷ করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে কর্তৃপক্ষ পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে বলেও জানানো হয়েছিল৷ ৩ এপ্রিলই এক এয়ারলাইন অফিসার জানিয়েছিলেন, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি৷ ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত কোনও বুকিং নেওয়া হবে না৷ লকডাউন পরবর্তী পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷’

এবার ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত তিনিট প্রাইভেট ট্রেনের বুকিং বাতিল করল ভারতীয় রেল৷ করোনার জন্য দেশে চলছে ২১ দিনের লকডাউন৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঘোষণা মতো এই লকডাউন চলবে ১৪ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত৷ কিন্তু তার পর পরিস্থিতি কী হবে তা কেউ জানেন না৷ ১২ ও ১৩ এপ্রিল পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে লকডাউন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় সরকার৷ অর্থাৎ বাড়ানো হবে না, তুলে নেওয়া হবে তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷ সূত্রের খবর, দেশের কিছু জায়গায় লকডাউন শিথিল হলেও যে সব জায়গায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেশি, সেখানে লকডাউন আরও কিছু দিন বাড়ানো হতে পারে৷

এই পরিস্থিতিতে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত তিনটি প্রাইভেট ট্রেন না-চালোনার সিদ্ধান্তের কথা মঙ্গলবার জানাল রেলওয়েজ৷ এই তিনটি ট্রেনের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সমস্ত বুকিং করার কথা এদিন ঘোষণা করা হয়৷ এই ট্রেনগুলি হল, আমদাবাদ-মুম্বই এবং দিল্লি-লখনউ তেজস এক্সপ্রেস ও কাশি মহাকাল এক্সপ্রেস৷ মহাকাল এক্সপ্রেস চলে বারাণসী থেকে ইন্দোর পর্যন্ত৷ এই তিনটি ট্রেনের টিকিটের টাকা যাত্রীদের দিয়ে দেওয়া হবে বলেও আইআরসিটিসি-র তরফে জানানো হয়৷

এখনও পর্যন্তে দেশে তিনটি প্রাইভেট ট্রেন চলে৷ ইন্ডিয়ান রেলওয়েজ ও আইআরসিটিসি-র যৌথ উদ্যোগে দেশের প্রথম প্রাইভেট ট্রেনটি হল আমদাবাদ-মুম্বই তেজস এক্সপ্রেস৷ এটি চালু হয়েছিল ৪ অক্টোবর, ২০১৯৷ আর দ্বিতীয় প্রাইভেট ট্রেনটিও হল তেজস৷ দিল্লি-লখনউ অর্থাৎ দ্বিতীয় তেজস এক্সপ্রেস চালু হয় চলতি বছর ১৭ জানুয়ারি৷ আর তৃতীয় প্রাইভেট ট্রেনটি হল বারাণসী-ইন্দোর মহাকাল এক্সপ্রেস৷ এটি চালু হয় চলতি বছর ২০ ফেব্রুয়ারি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.