পাটনা: প্রতিবেশী রাজ্য বিহারের রাজধানী পাটনায় বড়সড় দূর্ঘটনা। ব্রিজ থেকে নীচের গঙ্গায় ছিটকে পড়ল একটি যাত্রীবাহী ভ্যান। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ওই ভ্যানে থাকা একই পরিবারের ১২ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে এখন অবধি ১০ টি মৃতদেহ উদ্ধার করা গিয়েছে।

দানাপুরের কাছে পান্টুন ব্রিজের কাছে এই ভয়ংকর দূর্ঘটনা ঘটে। এসডিআরএফ এবং এনডিআরএফ টিম দূর্ঘটনার কিছুক্ষণ পরে দূর্ঘটনাস্থলে পৌঁছায়, শুরু হয় উদ্ধারকাজ। ততক্ষণে অবশ্য প্রচুর মানুষ সেখানে জমা হয়। বর্তমানে ক্রেন দিয়ে গাড়িটি উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে। গাড়ির মধ্যে থেকেও বেশ কিছু মৃতদেহ উদ্ধার করা হতে পারে।

আরও খবর পড়ুন – করোনায় দিশেহারা দেশ, হাসপাতালের জানলা ভেঙে পালাল ৩১ আক্রান্ত

স্থানীয় সাংসদ ও বিধায়ক উভয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। দাবি করা হচ্ছে, গাড়িতে শিশু ও মহিলা সহ প্রায় ১০ জন যাত্রী ছিলেন। এছাড়া দুজন লোক ছিলেন গাড়ির ছাদে। তাঁরা কোনও ক্রমে লাফ দিয়ে নিজেদের প্রাণ বাঁচান। জানা গিয়েছে, ব্রিজ দিয়ে যাওয়ার সময় ভ্যানটি হঠাৎ করে গঙ্গায় পড়ে যায়।

জানা গিয়েছে, ওই গাড়িটি বিয়ে বাড়ি থেকে ফিরছিল। শুক্রবার সকালে আকিলপুর থেকে দানাপুরের দিকে ফিরছিল ওই গাড়িটি। সেই সময়েই এই গাড়ি দূর্ঘটনা ঘটে। প্রথমে মানুষ হতবুদ্ধি হয়ে গেলেও পরে কিছু মানুষ গোটা বিষয়টা প্রশাসনকে জানায়। ভ্যানের ওপরে যারা বসে ছিলেন তারাই জানান, তাঁরা বিয়ে বাড়ি থেকে ফিরছেন ও একই পরিবারের সদস্য। তাঁদের থেকেই খবর যায় অন্য জায়গায়। চলন্ত গাড়ি থেকে লাফ দেওয়ায় তাঁরাও জখম হয়েছেন।

আরও খবর পড়ুন – করোনা আক্রান্ত অভিনেতা কৌশিক সেন, ‘ক্ষোভ’ মোদীর বিরুদ্ধে

দূর্ঘটনার পরে বিয়ে বাড়ি থেকেও সমস্ত লোকজন খবর পেয়ে সেখানে হাজির হয়, দূর্ঘটনাস্থল হাহাকারে ভরে যায়। কারণ, মৃতদের মধ্যে অনেকেই ছিল তরুণ, শিশু, যুবক ও মহিলারাও। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, গাড়িতে থাকা যাত্রীদের বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম। তবে প্রশাসন উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.