কলকাতা: বিধানসভার প্রথম অধিবেশনে অনুপস্থিত রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল।

বারবার বেসুরা হয়ে দলকে বিড়ম্বনায় ফেলেছেন বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল। তাঁদের এই বেসুরা হওয় দল মোটেই ভালোভাবে নেয়নি। এরই মধ্যে বিধানসভার প্রথম অধিবেশনেই অনুপস্থিত ছিলেন ২ জন।

মঙ্গলবারেই উত্তরপাড়ার বিধায়ক প্রবীর ঘোষালকে শোকজ করে তৃণমূল কংগ্রেস। মঙ্গলবার দুপুরে দলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে দলীয় সব পদ থেকে ইস্তফার কথা ঘোষণা করেন প্রবীরবাবু। এরপরই তাঁকে শোকজ করার সিদ্ধান্ত নেয় দল।

আরও পড়ুন – BREAKING: ফের অসুস্থ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, নিয়ে যাওয়া হচ্ছে হাসপাতালে

তৃণমূলের তরফে তাঁকে শেষবারের জন্যে সতর্ক করা হয়েছে। যদিও দলের শুদ্ধিকরণের জন্যে যদি মুখ খোলা অন্যায় হয় তাহলে যে কোনও ধরনের শাস্তি তিনি মাথা পেতে নেবেন বলে জানিয়েছেন উত্তরপাড়ার এই বিধায়ক। রাজনৈতিকমহলের একাংশের মতে, তাঁর বিজেপিতে যোগ শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। মঙ্গলবার প্রবীর ঘোষাল জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর কথা অনেক নেতা শুনছে না। দলে কাজের পরিবেশ নেই। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বা বৈশালী ডালমিয়ার সুরেই তিনিও বলছেন, এই পরিস্থিতিতে কাজ করতে পারছি না। তবে দল যে তিনি এখনই ছাড়ছেন না তা কার্যত স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন – BREAKING: ত্বকের সঙ্গে সংস্পর্শ নিয়ে বম্বে হাই কোর্টের রায়ে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ

তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এপ্রসঙ্গে বলেন, প্রবীর ঘোষাল সাংবাদিক ছিলেন৷ ইচ্ছে হয়েছে তিনি তৃণমূলে এসেছিলেন, “এখন ইচ্ছে হয়েছে চলে যাচ্ছেন, সেটা সম্পূর্ণ তাঁর ব্যাপার৷ এতে দলের কোনও ক্ষতি হবে না৷” দলে বিদ্রোহীদের কটাক্ষ করে কুণাল বলেন, “আমার থেকে বেশি ক্ষোভ তৃণমূলে আর কারোর নেই৷ তাও ধর্মযুদ্ধে দলের মঞ্চে দাঁড়িয়ে কথা বলছি৷ এতদিন তৃণমূলের বিধায়ক, মন্ত্রী থেকে এখন ভোটের সময় এসব কথা বলছে তাঁদের ন্যাকামি মানুষ বোঝেন৷”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।