লখনউ: উত্তরপ্রদেশের মুরাদাবাদ জেলায় এক স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যু ঘিরে আলোড়ন উঠল সারা দেশে। জেলা হাসপাতালে ওয়ার্ড বয় হিসাবে নিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম মহীপাল, তাঁর বয়স ৪৮ বছর। উল্লেখ্য, ১৬ জানুয়ারি শুরু হওয়া টিকাকরণ অভিযানে টিকা নিয়েছিল ওই ওয়ার্ড বয়। রবিবার সন্ধ্যায় মহিপালের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও তার জীবন বাঁচানো যায়নি।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, ১০৮ নম্বর ডায়াল করে তাঁর স্বাস্থ্যের অবনতির খবর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা আসার আগেই মহীপালের অবস্থা আরও খারাপ দেখে তাড়াতাড়ি তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা মহীপাল সিংকে মৃত ঘোষণা করেন।

মুরাদাবাদের সিএমও একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “ভ্যাকসিন নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া বলে মনে হচ্ছে না। মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। আমরা পোস্টমর্টাম করাব। মৃত আগে করোনা আক্রান্ত ছিল না।”

মৃতের পুত্রের দাবি, ভ্যাকসিনের কারণে মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান। মৃত স্বাস্থ্যকর্মীর পুত্র বিশাল জানিয়েছেন, “আমার বাবা ওয়ার্ড বয় হিসাবে চাকরি করছিলেন। আজ সকালে তিনি যখন ডিউটি থেকে ফিরে আসেন তখন তার স্বাস্থ্যের অবস্থা খারাপ ছিল। বাড়ি থেকে ফোনে জানতে পারি বাবার শরীর খারাপ। বাড়ির লোকেরা ১০৮ নম্বর ডায়াল করে জানালেও তাঁরা সময় মতো আসেনি। বাবাকে ১৬ জানুয়ারি টিকা দেওয়া হয়েছিল।”

বিশাল জানিয়েছে, “১২ টা ৩০ নাগাদ (আগের দিন) আমি বাবার কাছ থেকে ফোন পাই। আমাকে বাবা বলেছিল, গাড়ি নিয়ে জেলা হাসপাতালে আসতে। তিনি জানিয়েছিলেন, আমায় আজ কোভিড টিকা দেওয়া হবে, আমি গাড়ি চালাতে পারব না। এরপর আমি সিভিল লাইন হাসপাতালে গাড়ি নিয়ে যাই ও গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসি।” বিশালের দাবি, “তখন থেকেই বাবার অবস্থা খারাপ ছিল। তিনি নিঃশ্বাস ফেলছিলেন এবং কাশি হচ্ছিল।”

বাবার স্বাস্থ্যের সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিশাল জানিয়েছে, ” তিনি করোনা পজিটিভ ছিলেন না। তাঁর নিউমোনিয়া হয়েছিল। কিন্তু ওখান (হাসপাতাল) থেকে ফিরে তাঁর বেশি কষ্ট হচ্ছিল। বাবাকে গরম জল খেতে দেওয়া হয়। চা বানিয়ে দেওয়া হয় ও বিশ্রাম নেওয়ার জন্য বলা হয়। এরপর রবিবার সন্ধ্যায় আমি খবর পাই বাবার স্বাস্থ্য ক্রমে খারাপ হচ্ছে।” বিশাল জানিয়েছে, তাঁর অনুমান ভ্যাকসিনের জেরেই মৃত্যু হয়েছে। যদিও এখনও পরিষ্কার ভাবে কোনও তথ্য সামনে আসেনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।