কল্যাণী: বাগানে বসন্ত৷ পাঁচ বছর পর ফের কলকাতায় এল আইলিগ৷ মঙ্গলবার আইজল এফসিকে হারিয়ে আইলিগ চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান৷ সোমবাার ভূ-স্বর্গে রিয়াল কাশ্মীরকে হারিয়ে বাগানের পথ আরও সহজ করে দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল৷ এদিন কল্যাণীতে আইজলের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে গোল না-পেলেও ম্যাচের অন্তিমলগ্নে বেইতিয়ার পাস থেকে পাপা’র জোরাল শটে এগিয়ে যায় বাগান৷ সেই সঙ্গে পাঁচ বছর পর ফের আইলিগের ট্রফি ঢুকল গঙ্গাপাড়ের ক্লাবে৷

শেষবার মোহনবাগান আইলিগ জিতেছিল সঞ্জয় সেনের কোচিংয়ে৷ এবার অবশ্য বাগানে আইলিগ এল স্প্যানিশ কোচের তত্ত্ববধানে৷ সোমমবার বাগানের স্প্যানিশ কোচ কিবু ভিকুনা জানিয়েছিলেন, আইজলের বিরুদ্ধে পুরো শক্তি নিয়েই মাঠে নামবেন৷ এদিন পুরো শক্তি নিয়ে মাঠে নামলেও গোল পেতে মোহনবাগানকে অপেক্ষা করতে হয় ৮০ মিনিট পর্যন্ত৷

আইজলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য বাগানে দরকার ছিল পাঁচ ম্যাচে দু’পয়েন্ট। এদিন আইজলকে হারিয়ে তিন পয়েন্ট নিয়ে আইলিগে সিলমোহর দিল কিবুর ছেলেরা৷

সোমবার দোলের দিন বাগানে বসন্ত এসে গিয়েছিল৷ মাঠে উপস্থিত কর্তাদেরও মাখিয়ে দেওয়া হয় আবির৷ বাগানের স্প্যানিশ কোচ নিজে রং মাখেননি৷ গতকালই বাগান কোচ সতর্কতা বাণী শুনিয়েছিলেন, কাশ্মীরের হারের পর আর অপেক্ষা করতে রাজি নন ফুটবলাররা৷ মঙ্গলবার স্ট্যানলি রোজারিওর দলকে হারিয়ে বাগানে পাল তুলল নৌকো৷ ১৬ ম্যাচে ৩৯ পয়েন্টে নিয়ে অন্যদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে গেল মোহনবাগান৷ লিগে কাশ্মীর-সহ বাকি দশ দল সব ম্যাচ জিতলেও ছুঁতে পারবে না গঙ্গাপাড়ের ক্লাবকে৷

প্রথম সাক্ষাতে মোহনবাগানকে রুখে দিয়েছিল পাহাড়ের দলটি৷ মঙ্গলবার কল্যাণীতে একটা সময়ে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়িছিল আইজল৷ কিন্তু মাঝমাঠ থেকে বেইতিয়া হঠাৎ একটা আলগা বল ফাঁকায় দাঁড়ানো পাপাকে পাস বাড়ান৷ সেনেগালিজ স্ট্রাইকার সময় খরচ না-করে কামান দাগলেন প্রতিপক্ষের জালে৷ আইজলের গোলকিপার শরীর ছুড়েও সেই বল বাঁচাতে সক্ষম হননি৷ এই গোলই ২০১৫-র পর বাগানকে ফের একবার আইলিগ এনে দিল৷