নয়াদিল্লি:  মিনি বাজেট পেশ করতে পারেন মোদী সরকার। বর্ষাকালীন অধিবেশনে এই মিনি বাজেট পেশ করার ভাবনা চিন্তা শুরু করা হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে নয়া আর্থিক বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও কিছুই কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। লকডাউন এবং করোনার কারণে ২০২০-২০ আর্থিক বছরের অনেকটা সময় কেটে গিয়েছে।

শুধু তাই নয়, অপ্রত্যাশিতভাবে একের পর এক আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করতে হয়েছিল গরিব দেশবাসী ও শিল্প ইউনিটগুলিকে বাঁচাতে। যে হিসাবটি সম্পূর্ণভাবে বাজেটের বাইরে ছিল। দেশের মানুষের কথা ভেবে এই বাজেট ঘোষণা করা হয়। আর সেই কারণেই একটি মিনি বাজেট পেশ করার কথা ভাবনা চিন্তা করা হচ্ছে।

জানা যাচ্ছে, অগস্টের শেষ সপ্তাহে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন ডাকা হবে। সেখানেই বিষয়ে মিনি বাজেট পেশ করর কথা ভাবা হচ্ছে। যদিও করোনা সতর্কতা বজায় রেখে কোন পথে সংসদের অধিবেশন চালু করা যায় তা নিয়েই আলোচনা চলছে। কারণ করোনা রোখাটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডু এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে সমস্ত রাজ্য সভা এবং লোকসভার সদস্যদের অবহিত করা হবে বলে ঠিক হয়েছে।

বাংলা এক সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে যে গত বাজেটে ঘোষিত অর্থবরাদ্দ কিংবা প্রকল্প নিয়ে এখনও এগোনো যাবে না। সেক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারি মাসে ঘোষিত নতুন প্রকল্প এবং বিভিন্ন মন্ত্রকের জন্য বরাদ্দ অর্থ বন্টনের কী হবে? ইতিমধ্যেই প্রায় সব মন্ত্রকই কোভিড অ্যাকাউন্ট নাম দিয়ে লকডাউনের সময় বিভিন্ন খাতে ব্যয়বরাদ্দ করেছে। সেটিকেও ওই প্যাকেজের অন্তর্গত করা হয়েছে।

কিন্তু এই তিন মাসে দেশের অন্য যে প্রকল্পগুলিতে অর্থবরাদ্দ করা প্রয়োজন, সেগুলিও যাতে থমকে না থাকে, সেটাই নিশ্চিত করতে চাইছে মোদী সরকার। আর সেই কারণেই আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহে শুরু হওয়া বর্ষাকালীন অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন আগামী ৯ মাসের একটি রূপরেখা তৈরি করবেন বলে ঠিক হয়েছে। কিন্তু করোনাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

তবে ঠিক করা হয়েছে যে, লোকসভা এবং রাজ্যসভা পৃথক দিনে বসবে। অর্থাৎ যেদিন লোকসভা বসবে সেদিন রাজ্যসভার অধিবেশন হবে না। সংসদ ভবনে জনসমাগম কমানোই এর উদ্দেশ্য। কোনও সভাতেই একসঙ্গে সবাই যাতে উপস্থিত না থাকে সেটাও নিশ্চিত করা হবে।

প্রয়োজনে গ্যালারিতেও এমপিদের বসার ব্যবস্থা করার কথা ভাবা হচ্ছে। সভায় যে এমপিরা থাকবেন না, তাঁরা অংশ নেবেন ভার্চুয়ালি। তবে একটাই সমস্যা। কোনও বিলের ক্ষেত্রে ভোটাভুটি হলে সদস্যরা অংশ নেবেন কেমন করে? আপাতত সেটা নিয়েই আলোচনা চলছে।

যদিও আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে খুব বেশি হলে ৭ থেকে ১০ দিন চলবে অধিবেশন। ৬ মাসে একবার অন্তত সংসদের অধিবেশন ডাকা না হলে সেটা হবে সাংবিধানিক সঙ্কট। তাই আগামী সেপ্টেম্বর মাসের আগে সংসদের অধিবেশন ডাকতেই হবে। তথ্য সূত্রে, বাংলা এক সংবাদমাধ্যম।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ