কলকাতাঃ সোমবার রাতে অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন কলকাতা পুলিশের মুচিপাড়া থানার এএসআই মধুসূদন৷ গুরুতর জখম তার স্ত্রী শান্তি দত্ত৷ দু’জনই আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সোমবার রাতে স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে শান্তি দত্তের। তবে পুলিশ কর্মী এখনও চিকিৎসাধীন।

সোমবার সন্ধ্যায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে মধ্যমগ্রাম থানার দেশবন্ধু রোডের একটি বাড়িতে৷ ওই বাড়ির মালিক মধুসূদন দত্ত (৫৬) কলকাতা পুলিশে কর্মরত৷ বর্তমানে তিনি মুচিপাড়া থানার এএসআই পদে কর্মরত৷ আগুন লাগার সময় মধুসূদনবাবুর সঙ্গে বাড়িতে ছিলেন তাঁর স্ত্রী শান্তি দত্ত (৪৮)৷ ছেলে কৃষ্ণ দত্ত কাজের সূত্রে রবিবার দুপুরে বের হয়েছিলেন৷ মধ্যমগ্রামের বাড়িতে তারা অগ্নিদগ্ধ হন৷ তদন্তে নেমেছে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ৷

স্থানীয় সূ্ত্রে খবর, ওই দিন সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ পুলিশ কর্মীর বাড়িতে আগুন লাগে৷ খবর দেওয়া হয় দমকল ও পুলিশকে৷ খবর পেয়ে বারাসত থেকে ঘটনাস্থলে আসে দমকলের দু’টি ইঞ্জিন৷ এবং মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ ও স্থানীয় কাউন্সিলার আত্রেয়ী গুহ৷ গুরুতর জখম অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীকে ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়৷ সঙ্গে সঙ্গে তাদেরকে আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়৷ দু’জনেরই শরীরের বেশ অনেকটা অংশ পুড়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ প্রায় ঘণ্টা খানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকল কর্মীরা৷

স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানিয়েছেন,মধ্যমগ্রাম পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের দেশবন্ধু রোডের ফ্রেন্ডস এসোসিয়েশন সংলগ্ন এলাকায় একটি বাড়ি আগুন লাগে৷ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি বাড়ির মূল গেটে তালা লাগানো৷ অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় দত্ত দম্পতি ঘরের মধ্যেই ছোটাছুটি করছেন৷ ঘরের ভিতর থেকেই তারা চিৎকার করতে থাকেন৷

ঘটনাস্থলে দমকল কর্মীরা এসে বাড়ির গ্রিলের তালা ভেঙে অগ্নিদগ্ধ দু’জনকে উদ্ধার করেন৷ ততক্ষনে দু’জনেরই শরীরের বেশ অনেকটা অংশ পুড়ে গিয়েছে৷ ঘরের ভিতরে কেরোসিনের জার মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে৷ ঘরের ভিতরে কেরোসিনের জার কেন মজুত ছিল,তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷ কিভাবে আগুন লেগেছে সেই বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে৷

ঘটনার কিছু পরেই চলে আসেন মধুসূদন দত্তর ছেলে কৃষ্ণ। তিনি জানান, আমি ঘরের সামনে আসতেই শুনতে পাই বাবা আমায় বলছেন তালা খুলতে৷ পুলিশ এবং দমকল কর্মীরা অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বাব-মাকে উদ্ধার করে৷ কেন এমনটা হল বুঝতে পারছি না৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.