প্যারিস: ফ্রান্সে ভয়ঙ্কর ছুরি হামলা। ঘটনাটি ঘটেছে প্যারিস পুলিশের সদর দফতরের ভেতরে। জানা গিয়েছে এই ঘটনায় চার জন পুলিশ গুরুতরভাবে আহত হয়েছে। তবে এই ঘটনায় আক্রমণকারীদের মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশের একজন আধিকারিক বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। প্যারিসের নত্রে দেম ক্যাথিড্রালে প্যারিসের পুলিশের সদর দফতরে এই ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশের একজন আধিকারিক বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। প্যারিসের নত্রে দেম ক্যাথিড্রালে প্যারিসের পুলিশের সদর দফতরে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে হামলাকারীরা কতটা ভেতরে প্রবেশ করতে পেরেছে তা বোঝা যায়নি তবে তার আগেই তাঁকে গুলি করা হয়। বেশ কয়েকজন পুলিশ আধিকারিকরা আহত হয়েছেন।

এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে। ঐ এলাকাটি পর্যটকপ্রিয় হওয়ায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কাছাকাছি মেট্রো স্টেশন হওয়ায় সেই জায়গায় জায়গাটি খালি করে দেওয়া হয়, বন্ধ করে দেওয়া হয় পরিষেবা।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিল্ডিংয়ের ভেতরই হামলাকারী নিহত হন। তিনি প্রশাসকের ভূমিকায় কাজ করলেও তাঁর সংক্ষিপ্ত ভূমিকা এখনও পরিষ্কার হয়নি। গোটা এলাকাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।