কাশ্মীর: ফের বিনা প্ররোচনায় গুলি চালাল পাকিস্তান। তাতে আহত হলেন এক ভারতীয় জওয়ান। রবিবার কাশ্মীরের বান্দিপোরার গুরেজ সেক্টরে LoC-তে সন্ধ্যা ৭ টার সময় এই গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীও খোলা হাতে এই গুলি চালানোর উপযুক্ত জবাব দিচ্ছে। সূত্রের খবর দু’পক্ষের মধ্যে এখনও গুলি বিনিময় চলছে।

অন্যদিকে, রবিবার সকালে গ্রেনেড বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজধানী শ্রীনগর। ওই ঘটনায় দু’জন সিআরপিএফ জওয়ান ও দু’জন সাধারণ মানুষ সহ মোট চারজন গুরুতরভাবে আহত হন।

হামলায় আহত দুজন সিআরপিএফ জওয়ান এবং দুজন সাধারণ মানুষকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রবিবার এই ঘটনার পরই ঘিরে ফেলা হয় গোটা এলাকা। পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন – BREAKING: শ্রীনগরে গ্রেনেড হামলা, গুরুতর জখম দুই জওয়ান ও দুই কাশ্মীরি

রবিবারই জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ স্থানীয় এক জঈশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি কম্যান্ডার জাহিদ শেখের ভাই সুহেবকে উত্তর কাশ্মীরের পুলওয়ামার করিমাবাদ থেকে আটক করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত পুলিশ মারফৎ জানা গিয়েছে, শুক্রবার জম্মুর টোল প্লাজায় একটি চেকিং এর সময় মুহূর্তে নিরাপত্তারক্ষীদের দিকে বন্দুক তাক করে গুলি ছুঁড়তে থাকে জঙ্গিরা। পাল্টা গুলি চালিয়ে ৩ জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়। ঘটনাট ধরা পড়ে ট্রাকচালক সমীর আহমেদ দার। পুলিশ জানতে পেরেছে সেই সমীর আহমেদ দার আসলে পুলওমায়ায় জঙ্গি হামলার মূলকাণ্ডারী আদিল দারের সম্পর্কে ভাই।

ট্রাকচালক সমীর দার শুক্রবার জঙ্গিদের পাচারে সাহায্য করেছে বলে যেমন খবর উঠে আসছে, তেমনই একটু ফ্ল্যাশব্যাকে গেলে দেখা যাবে, সমীরের দাদা আদিল গত বছর গাড়ি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক নিয়ে ঢুকে গিয়েছিল সেনা কনভয়ের মধ্যে। আর সেখানেই আত্মঘাতী হানায় হত্যা করা হয়েছিল ৪৪ জওয়ানকে।

পুলওয়ামা হামলায় বারবার পাকিস্তানি যোগ প্রমাণিত হয়েছে। প্রমাণের বিষয় বস্তু পাকিস্তানের হাতে পৌঁছে দিলেও, ইসলামাবাদ তা মানতে চায়নি। নিজের দেশে বারুদের স্তূপ হয়ে ওঠা জঙ্গি শিবির দমনে ব্যর্থ হয়েছেন ইমরান। আর শুক্রবারের ঘটনাতেও উঠে আসছে পাক যোগ।