নয়াদিল্লি: দেশে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। শেষ ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হলেন আরো ৫৪ হাজার ৭৩৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৮৫৩ জনের।

নতুন করে এই সংক্রমণ ও মৃত্যুর জেরে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ লক্ষ ৫০ হাজার ৭২৪ জন। এর মধ্যে অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ৫ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭৩০ টি। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৬৩০ জন। মোট মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ৩৭ হাজার ৩৬৪ তে।

করোনাকে বশে আনতে বিশ্বের প্রায় সমস্ত দেশই কোমড় বেঁধে নেমে পড়েছে ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের কাজে। বিজ্ঞানীদের দিনরাত এক করা অক্লান্ত পরিশ্রম এবং আলোচনা গবেষণা চলছে শুধুমাত্র করোনার দাপট থেকে বিশ্ববাসীকে মুক্তি দিতে।

বিশ্বজুড়ে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের বিভিন্ন পর্যায়ে ১৫০ টিরও বেশি ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট হিউম্যান ট্রায়ালে পৌঁছেছে। এছাড়াও ২৬ টি হিউম্যান ট্রায়ালের প্রথম ফেজে রয়েছে। এবং এই ২৬ টির মধ্যে আরও ৫ টি সম্ভাব্য ভ্যাকসিন ক্যান্ডিডেট তৃতীয় পর্যায়ে বা ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও ভ্যাক্সিন আবিষ্কারের শেষ পর্যায়ে, বিভিন্ন বয়সের কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবীর উপর এর সুরক্ষা এবং কার্যকারিতা পরীক্ষা করার জন্য ইনজেকশন দেওয়া হচ্ছে।

মডেরেনা, ফাইজার এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকা নামক প্রভৃতি সংস্থাগুলি করোনার টিকা আবিস্কারে দ্রুত গতিতে কাজ করে চলেছে। এই সংস্থাগুলির তৈরী ভ্যাক্সিন খুব শীঘ্রিই ব্যবহারের জন্য বাজারে চলে আসতে পারে। ভারতেও দুটি ভ্যাক্সিন ক্যান্ডিডেট মানুষের উপর পরীক্ষা করা হচ্ছে।

তবে ভ্যাক্সিন আবিষ্কারে অগ্রণী ভূমিকা নেওয়া বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন যে, প্রতিষেধক আবিষ্কার এবং করোনা পরিস্থিতি কেটে গেলেও ভবিষ্যতে বা এরপরও অনেকদিন মানুষকে মাস্ক পরতে হবে এবং সামাজিক দূরত্বের সমস্ত সরকারি প্রোটোকলগুলি মেনে চলতে হবে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ