আহমেদাবাদ: রাজ্যসভা ভোটের আগে বড়সড় লাভ বিজেপির। মার্চ মাসে দল ছেড়েছিলেন আটজন কংগ্রেস বিধায়ক। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন শনিবার ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেছেন।

প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক জিতু চৌধুরী, প্রদ্যুমনাসি জাদেজা, জে ভি কাকাদিয়া, অক্ষয় প্যাটেল, ব্রিজেশ মেরজা এদিন বিজেপিতে যোগদান করেছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য ইউনিটের প্রেসিডেন্ট জিতু ভাগহানি সহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ নেতারা।

এই পাঁচ প্রাক্তন বিধায়কের মধ্যে পটেল, মেরজা এবং চৌধুরী জুন মাসের শুরুর দিকে দল ছেড়েছেন। নির্বাচন কমিশনের তরফে গুজরাতে রাজ্যসভা ভোটের নতুন দিন ঘোষণা করা হয়েছে জুনের ১৯ তারিখ, ঠিক তারপরেই এমন ঘটনা সামনে এসেছে। কাকাদিয়া এবং জাদেজা মার্চ মাসে দল ছেড়েছিলেন।

আগের নির্ঘণ্ট অনুযায়ী, মার্চ মাসের ২৬ তারিখ গুজরাতে রাজ্যসভা ভোট হওয়ার কথা ছিল। দেশে করোনা লকডাউনের জন্য যা পিছিয়ে যায়। এদিন যোগদান অনুষ্ঠানের পরে বিজেপির তরফে জানা গিয়েছে, এই সময়ে এমন সিদ্ধান্ত স্থানীয়ভাবে দলকে মজবুত করবে।

২০১৭ সালে যদি কংগ্রেস নেতারা নির্বাচনের সঙ্গে মননিবেশ না করতেন তবে আহমেদ প্যাটেলের হার নিশ্চিত ছিল। তবে চোখ-কান খোলার রাখার দরুণ জিতেছিলেন তিনি। সেই টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচের যেন রিটার্ন ২০২০ সালের এই রাজ্যসভা নির্বাচন। অমিত শাহর অপারেশন কমল থেকে নিজেদের বিধায়কদের বাঁচাতে হোটেলে রাখা হয়। এবার দেখার শেষ মুহূর্তে বিটিপির ভোট আদায় করে কিস্তিমাত দিতে পারে কোন দল।

গুজরাতের চারটি আসনের জন্য বিজেপি তিনজন প্রার্থীর নাম নথিভুক্ত করেছে। কংগ্রেস নথিভুক্ত করেছে দুইজন প্রার্থীর নাম। বিজেপি-র তিনজন প্রার্থী হলেন অভয় ভরদ্বাজ, রামিলাবেন বারা এবং নরহরি আমিন। বিপরীতে কংগ্রেসের দুইজন প্রার্থী হলেন শক্তিসিং গোহিল এবং ভারতসিং সোলাঙ্কি।

এদিকে রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য দলীয় বিধায়কদের নিয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করে গুজরাত কংগ্রেস নেতৃত্ব। দুই দিনের জন্য তাঁদের মোবাইল ফোন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগে পর্যন্ত তাঁদের মোবাইল ফোন বন্ধ রাখতে হবে।

২০১৭ সালের রাজ্যসভা ভোটে ৭৭টি আসন পেয়েছিল কংগ্রেস বর্তমানে তা ৬৫। সময়ের সঙ্গে ১২ জন বিধায়ক যারা অনেকেই বিজেপিতে যোগদান করেছেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ