গাজিয়াবাদ: বিধ্বংসী আগুন লাগল গাজিয়াবাদের সাহিবাদের ভূপুরা কৃষ্ণ বিহার এলাকার একটি বস্তিতে। ইতিমধ্যেই সেখানে হাজির হয়েছে বিরাট পুলিশ ও দমকল বাহিনী। প্রচুর বাসিন্দাকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

জানা যাচ্ছে, ওই এলাকায় প্রায় ২০০টি বস্তি আবাসন রয়েছে। দমকল কর্মীরা বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছেন।

আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, প্রায় ৩০ টি ফায়ার ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজে যুক্ত রয়েছে। ফলে সহজেই আগুনের বিশালতা অনুমান করা যাচ্ছে।

সুপারেন্টেড অফ পুলিশ নীরজ কুমার জাদুন বলেন, “অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনও শনাক্ত করা যায়নি তবে অগ্রাধিকার হ’ল শিগগির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা। ” পাশাপাশি তিনি বলেন, আগুনে অনেক বাড়ি পুড়ে গিয়েছে। পুলিশ ও দমকল কর্মীরা অনেক লোককে উদ্ধার করে। পুলিশ জানিয়েছে, রাত দশটার দিকে তাঁরা আগুন লাগার খবর পায়, এর কিছুক্ষণ পরে সেখানে হাজির হয় দমকল।

উল্লেখ্য, কদিন আগেই বিধ্বংসী আগুন লাগে মুম্বইয়ের একটি শপিং মলে। আগুনের ব্যাপকতার জেরে কাছের বিল্ডিং থেকে প্রায় ৩৫০০ জনকে বাইরে বের করে আনা হয়।

দমকলের ২৪টি ইঞ্জিন ১৬টি জাম্বো ট্যাঙ্ক নিয়ে আগুনের মোকাবিলায় নামে। তবে এই কাজ করতে গিয়ে আহত হন ২ দমকলকর্মী। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।