আমদাবাদ: টেস্টের দ্বিতীয় দিনে দ্বিতীয় সেশনের আগেই ১৭ উইকেটের পতন৷ বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পিচ নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক৷ মোতেরার নরেন্দ্র মোদী ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারত-ইংল্যান্ডের ডে-নাইট টেস্ট যে পাঁচ দিন গড়াবে না, তা বোঝা গিয়েছিল প্রথম দিনেই৷ কিন্তু দ্বিতীয় দিনেই টেস্ট অন্তিমলগ্নে পৌঁছবে, তা কেউ ভাবেননি৷ সিরিজের তৃতীয় তথা পিঙ্ক বল টেস্ট জয়ের জন্য ভারতের দরকার মাত্র ৪৯ রান৷

মাত্র দেড় দিনেই তিন ইনিংস শেষ৷ মোতেরার বাইশ গজে স্পিনারদের স্বর্গরাজ্য আর ব্যাটসম্যানদের দুর্ভেদ্য ভূমি৷ প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডে ১১২ রানে শেষ করে ম্যাচে জাঁকিয়ে বসেছিল ভারত৷ কিন্তু বিরাট কোহলিদের স্বপ্নভঙ হয় জো রুটের স্পিনে৷ ইংল্যান্ড অধিনায়কের দুরন্ত স্পিন বোলিংয়ের সাক্ষী থাকল বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়াম৷ আমদবাদে পিঙ্ক বল টেস্টে ভারতীয় ইনিংসকে শেষ করে দিলেন রুট৷

ইংল্যান্ডের ১১২ রানে জবাবে মাত্র ১৪৫ রান গুটিয়ে যায় ভারত৷ সৌজন্যে ক্যাপ্টেন রুটের দুরন্ত বোলিং৷ ৬.২ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ৮ রান খরচ করে ভারতীয় ইনিংসের পাঁচ ব্যাটসম্যানকে প্যাভিলিয়নে ফেরান রুট৷ টেস্ট কেরিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি একগুচ্ছ রেকর্ড গড়লেন ইংল্যান্ড ক্যাপ্টেন৷মাত্র ৮ রানে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে বল হাতে টেস্ট ক্রিকেটে রেকর্ড গড়লেন রুট৷ টেস্ট ক্রিকেটে স্পিনার হিসেবে পাঁচ উইকেট নেওয়ার ক্ষেত্রে সেরা ইকনোমিক বোলিং এটাই৷ চারটি উইকেট নেন জ্যাক লিচ৷

কিন্তু রুট ও লিচের স্পিনে ইংল্যান্ড ম্যাচে ফিরলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি৷ কারণ দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতীয় স্পিনারদের সামনে আরও ভয়াবহ অবস্থা হয় ইংরেজ ব্যাটসম্যানদের৷ প্রথম ইনিংসে ৩৩ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৮১ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ড৷ প্রথম ইনিংসের মতো ভারতের দুই স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও অক্ষর প্যাটেলের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি ইংরেজ ব্যাটসম্যানরা৷ ইংল্যান্ড ইনিংসের সর্বোচ্চ স্কোর বেন স্টোকসের ২৫৷ মাত্র তিন ব্যাটসম্যান দু’ অংকের রানে পৌঁছন৷ রুট ১৯ এবং ওলি পোপ ১২ রান করেন৷

ইংল্যান্ড ইনিংসের ১০টি উইকেটই তুলে নেন ভারতীয় স্পিনাররা৷ অক্ষর ৩২ রানে ৫টি এবং অশ্বিন ৪৮ রান দিয়ে চারট উইকেট নেন৷ অপর উইকেটটি নেন প্রথম ইনিংসে বল করার সুযোগ না-পাওয়া ওয়াশিংটন সুন্দর৷ প্রথম ইনিংসে অক্ষর ছ’টি ও অশ্বিন তিনটি উইকেট নিয়েছিলেন৷ অপর উইকেটটি ছিল ইশান্ত শর্মার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।