শ্রীনগর: ফের সকাল হতে হতেই জম্মু কাশ্মীরে শুরু এনকাউন্টার। বুদ্গাম জেলার পাঠানপোরা এলাকায় এই এনকাউন্টার শুরু হয়েছে বলে খবর রয়েছে। কাশ্মীর জোন পুলিশ জানিয়েছে, পুলিশ ও নিরাপত্তাবাহিনী অপারেশন জারি রেখেছে।

এই নিয়ে এই সপ্তাহে এটা চতুর্থবার এনকাউন্টার। গত দু সপ্তাহে জঙ্গি দমনে বিরাট সাফল্য পেয়েছে সেনা। গত দু সপ্তাহ ধরে মোট ২৭ জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

বুধবার সকালেও দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ানে চলছে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই। ওই এনকাউন্টারে মোট ৫ জঙ্গিকে খতম করেছে ভারতীয় বাহিনী।

রবিবার থেকে সোমবার অবধি সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে নিকেশ করা সম্ভব হয়েছে নয়’জন জঙ্গিকে, এরা সকলেই হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গি-গোষ্ঠীর বলেই জানা গিয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে প্রচুর অস্ত্রসস্ত্র।

গত দু সপ্তাহ ধরে মোট ২৭ জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এর মধ্যে ছয়’জন টপ কম্যান্ডার রয়েছেন। কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদে একটা ট্রেন্ড লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সেনা। সেনা সূত্রে খবর চলতি বছরে যতবার হামলা হয়েছে জঙ্গিদের, প্রত্যেক বারই দেখা গিয়েছে হয় ব্যর্থ হয়েছে, নয়তো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কম হয়েছে। সেনা বলছে জঙ্গিদের হামলা ধরণে স্পষ্ট চাপ রয়েছে অপরিকল্পিত পদ্ধতির। যেটা আগে ছিল না।

সেনার এক শীর্ষ আধিকারিক জানান পুঞ্চ ও রাজৌরি জুড়ে তল্লাশির মাত্রা বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন গ্রামে চলছে টহলদারি। অন্যদিকে পৃথক ভাবে তল্লাশি চালাচ্ছে বিএসএফ। পুলিশের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে জম্মু কাশ্মীরের সাম্বা সেক্টরের হীরানগর এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।