নয়াদিল্লি: আজ দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে ভোট ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। জানা গিয়েছে বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ এই ঘোষণা করা হতে পারে। বৈঠকে হাজির থাকবেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।

পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাডু সহ মোট পাঁচটি রাজ্যে ভোটের নির্ঘন্ট এদিন প্রকাশিত হতে পারে বলে সূত্রের খবর। বাংলায় ৭ থেকে ৯ দফায় ভোট হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। অসমে হয়তো ২ দফায় ভোট হতে পারে।

অন্য রাজ্যে এবছর ভোট থাকলেও সকলের নজর রয়েছে বাংলার দিকেই। এখনও পর্যন্ত বাংলাতেই সবচেয়ে বেশি স্পর্শকাতর বুথ চিহ্নিত করা হয়েছে। কমিশন পশ্চিমবঙ্গের ৬ হাজার ৪০০ বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করেছে। করোনাকালে সব ধরনের কোভিড প্রোটোকল মেনে নির্বাচন পরিচালনা করা কমিশনের কাছে এবার মস্ত চ্যালেঞ্জ।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল ৬ দফায়। এবার করোনা পরিস্থিতির জেরে এবার পশ্চিমবঙ্গে সাত থেকে আট দফায় নির্বাচন হতে পারে। কিন্তু ১০ দফায় বিধানসভা ভোটের দাবি জানিয়েছেন বিজেপি নেতারা। একইসঙ্গে বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভোটের আগেই ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন বিজেপি নেতারা।

ইতিমধ্যেই রাজ্যে ঘুরে গিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল-বেঞ্চ। রাজ্য-প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা-সহ একাধিক ইস্যুতে কথা বলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা-সহ তাঁর ফুল টিম। সুষ্ঠু ও অবাধ ভোট করতে এবার বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন।

যেহেতু রাজ্যে ৬ হাজার ৪০০ বুথকে অতিস্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।তাই উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন জেলা প্রশাসনকে সতর্ক ভাবে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। কমিশন-এর ধারণা ভোট যত এগিয়ে আসবে ততই হিংসার ঘটনা বাড়বে। তাই জেলা প্রশাসনকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে রাজ্যে ভোটের মুখে কোন রাজনৈতিক পক্ষ থেকে জেলা শাসক (DM)ও পুলিশ সুপারদের (SP) ওপর কোনও রকম চাপ রয়েছে কিনা সেটা তিনি জানতে চান বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

সুদীপ জৈন এটাও জেলা প্রশসানকে জানিয়েছেন, ভোট পরিচালনায় কোনও রকম কর্তব্যের গাফিলতির খবর পাওয়া গেলে তার ফলাফল ভুগতে হবে বলে জেলা প্রশাসনকে । সুদীপ জৈন পাশাপাশি এটাও জেলা প্রশাসনকে স্মরণ করিয়ে দেন, নির্ভয়ে কাজ করুন, কমিশন তাঁদের সঙ্গে আছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।