বাঁকুড়াঃ ‘গ্রিন জোন’ বাঁকুড়ায় সন্ধান মিললো এক করোনা আক্রান্তের। জেলার পাত্রসায়র ব্লক এলাকার বছর পনের এক কিশোর করোনা আক্রান্ত। শুক্রবার সন্ধ্যে থেকেই এই খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ‘ভাইরাল’।

যদিও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে এবিষয়ে কোন মন্তব্য করা হয়নি। তবে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা এই খবরের সত্যতা স্বীকার করে নিলেন। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে সারা দেশে যখন প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার মানুষ করোনা আক্রান্ত, তখন আমাদের বাঁকুড়ার পাত্রসায়ে মাত্র একজন করোনা পজিটিভের সন্ধান মিলেছে। তাঁকে দুর্গাপুরের সনকা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, প্রথমে সারা রাজ্যে যেখানে মাত্র ছ’টি করোনা পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল, বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎপরতায় বাঁকুড়া সহ ২৪ টি পরীক্ষাকেন্দ্র চালু হয়েছে।

এবিষয়ে বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ ডাঃ সুভাষ সরকার রাজ্য সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, গত ১৩ মে পাত্রসায়র ব্লক হাসপাতাল থেকে লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে স্কুল অব ট্রপিক্যাল মেডিসিনে পাঠানো হয়। ১৬ মে সেই নমুনা ওখানে পৌঁছালো। ২১ মে সেই রিপোর্ট আসছে পজিটিভ। গত আট দিন ধরে ঐ কিশোর সংশ্লিষ্ট এলাকার সকলকে সংক্রমিত করে গেল! সরকারের এবিষয়ে কোন ‘ভ্রুক্ষেপ’ নেই বলেই তার দাবি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।