নয়াদিল্লি: সিবিএসই-র বাকি বিষয়গুলির পরীক্ষা নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার৷ এইচআরডি মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল ‘নিশঙ্ক’ বুধবার ঘোষণা করেন, কেন্দ্রীয় মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (সিবিএসই) উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পদোন্নতি ও ভর্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ২৯টি প্রধান বিষয়ের জন্য দশম ও দ্বাদশ শ্রেণি পরীক্ষা নেওয়া হবে৷ বাকি বিষয় গুলির জন্য সিবিএসই বোর্ড পরীক্ষা নেবে না৷ সেই বিষয়গুলি চিহ্নিতকরণ করে দ্রুত মূল্যায়ন জারি করা হবে৷’

করোনাভাইরাসের কারণে স্থগিত হয়েছিল সিবিএসই-র পরীক্ষা৷ তারপর সারা দেশে ২১ দিনের লকডাউনে স্তব্ধ হয়ে যায় সবকিছু৷ এই পরিস্থিতি বুধবার এইচআরডি মন্ত্রক সিবিএসই-কে কেবলমাত্র ২৯টি প্রধান বিষয়ের জন্য বোর্ডের পরীক্ষা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে৷ যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ বাকি বিষয়গুলি সিবিএসই বোর্ড পরীক্ষা নেবে না৷ সেগুলি চিহ্নিতকরণ মূল্যায়নের জন্য নির্দেশাবলী শীঘ্রই জারি করা হবে বলে জানা গিয়েছে৷

সিবিএসই-এর তরফে এদিন জানানো হয়েছে, উচ্চতর পড়াশোনা করতে চান না বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পক্ষে যে বিষয়টির বিস্তৃত বোঝার প্রয়োজন নেই, তাদের সিনিয়র মাধ্যমিক স্তরের অ্যাকাডেমিক ইলেকটিভ হিসেবে ‘অ্যাপ্লাইড গণিত’ রাখা হয়েছে৷ আর বাণিজ্য ও সামাজিক বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে মৌলিক গাণিতিক এবং পরিসংখ্যান সংক্রান্ত সরঞ্জামগুলি এবং তাদের প্রয়োগগুলির বোধগম্যকরণের জন্য বৈকল্পিক বিষয়টি ২০২০ শিক্ষাবর্ষের অধিবেশন থেকে ১১ মে শ্রেণির শিক্ষার্থীদের এবং পরের বছর থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বৈকল্পিক হিসাবে দেওয়া হবে৷ সিবিএসই-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির ফলাফল মে মাসের শেষ নাগাদ ঘোষণা করা হবে বলে বোর্ডের তরফে জানানো হয়৷ তবে এর জন্য বোর্ডের পরীক্ষা ২০২০ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করতে হবে৷

দেশজুড়ে করোনভাইরাস মহামারীর প্রেক্ষিতে সিবিএসই-র দশম ও দ্বাাদশ শ্রেণির পরীক্ষা ১৮ মার্চ স্থগিত হয়ে যায়৷ তারপর করোনা বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সারাদেশে লকডাউন জারি হওয়ায় নির্ধারিত পরীক্ষাগুলির তারিখ সংশোধন করতে পারেনি বোর্ড৷ শিক্ষার্থীদের ফলাফলের সর্বশেষ তথ্যের জন্য সিবিএসই-র অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে৷

তবে এমনটা প্রথমবার নয়, এর আগে সিবিএসই পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল৷ উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে দফায় দফায় অহিংসতার কারণে সিবিএসই-র দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছিল৷