স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: ফের মোবাইল ফোনে কথা বলতে গিয়ে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা। আহত পঞ্চাশ জন। আশঙ্কা জনক ২০ জন। ঘটনাটি ঘটেছে মালদা নালাগোলা রাজ্য সড়কের হবিবপুর থানার হুড়া বাড়ি এলাকায়। আহতদের উদ্ধার করে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়৷ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হবিবপুর থানার পুলিশ।

জানা গিয়েছে, এদিন সকালে মালদহ শহর থেকে যাত্রী বোঝাই করে নালাগোলার উদ্দেশ্যে রওনা হয় বাসটি। পথে হবিবপুর থানার হুড়া বাড়ি এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকে একটি গাছে ধাক্কা মারলে বাসটি উল্টে যায়। ঘটনায় স্থানীয় গ্রামবাসীরা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। এদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকে তাদের মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন : নাশকতা থেকে রক্ষা, কাশ্মীরে ৯টি মর্টার নিষ্ক্রিয় করল সেনা

ওই বাসের যাত্রীদের অভিযোগ, গাড়িটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে চলছিল। তার ওপর বাসের চালক মোবাইল ফোনে দীর্ঘক্ষন ধরে কথা বলছিল এবং গাড়ি চালাচ্ছিল। সেই কারণেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি উল্টে যায়। আর যার ফলেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর থেকেই বাসের চালক পলাতক৷ তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে হবিবপুর থানার পুলিশ।

বুলবুলচন্ডী অঞ্চলের প্রধান রাজীব দাগা বলেন, শহর থেকে বাস যাত্রী বোঝাই করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিভিন্ন মোড়ে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকে এই বাসগুলি। পরে বাসের গতি বাড়িয়ে গাড়ি চালাতে শুরু করে এই চালকরা৷ এদিন বাস যাত্রীদের কাছে জানতে পেরেছি ওই চালক কানে মোবাইল ফোন নিয়ে গাড়ি চালাচ্ছিল। যেখানে বাস চালকদের মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা হয়েছে সেখানে কিভাবে কিভাবে সে মোবাইল ফোন কানে দিয়ে বাস চালাচ্ছিল। সেটা ইউনিয়নের তদন্ত করা উচিত। অন্যদিকে কোনো যাত্রী বা কেউ বাসচালকদের কিছু বললেই তারা রাস্তা অবরোধ বাস বন্ধ শুরু করে দেয়। তাদের ভুলে যাচ্ছে যাত্রীদের জীবন নিয়ে তারা ছিনিমিনি খেলছে। অবিলম্বে ইউনিয়ন গত ভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে দাবি তোলেন তিনি৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ