ভোপাল: করোনা আবহের মধ্যে মধ্যপ্রদেশ দখল করে নিলে ভারতীয় জনতা পার্টি৷ ১৫ মাসের কংগ্রেস সরকারের পর মধ্যপ্রদেশে ফের বিজেপি সরকার৷ সোমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেব শপথ নিলেন শিবরাজ সিং চৌহান৷ এ নিয়ে চতুর্থবার মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হলেন বিজেপি-র এই বরিষ্ঠ নেতা৷ সোমবার রাত ৯টায় রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শিবরাজ সিং চৌহানকে শপথ বাক্য পাঠ করান৷

সারা দেশ যখন করোনা বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যস্ত তখন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া শিবরাজ সিং চৌহানকে টুইটারে অভিনন্দন বার্তা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷

৬১ বছরের চৌহান এর আগে ২০০৫ থেকে ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনের আগে পর্যন্ত তিনবার মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন৷ কিন্তু ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনে মধ্যপ্রদেশের মানুষ বিজেপির পরিবর্তে কংগ্রেসকে রাজ্যের শাসন চালানোর রায় দেন৷ কিন্তু তাতে কী? ভারতের মতো দেশের পালটিবাজ রাজনৈতিক নেতারা থোরাই সাধারণ মানুষের রায়কে কেয়ার করেন!

চলতি মাসে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া-সহ কংগ্রেসের ২৩জন বিধায়ক ইস্তফা দেন৷ ফলে সংকটে পরে মধ্যপ্রদেশে কমলনাথ সরকার৷ কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়ে ২২ জন বিধায়ক দু’দিন আগে বিজেপিতে যোগ দেন৷ তবে জ্যোতিরাদিত্য আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়ে কেন্দ্রের মন্ত্রীত্ব গ্রহণ করেছেন৷ সোমবার মধ্যপ্রদেশ দখল করল বিজেপি৷ ফ্লোর টেস্টে জেতার পর তড়িঘড়ি বৈঠক করে বর্ষীয়ান নেতা শিবরাজ সিং চৌহানকেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেয় বিজেপি৷

এদিন ফ্লোর টেস্টে কংগ্রেসকে হারিয়ে ফের দেশের মধ্য রাজ্য দখল করে বিজেপি৷ ফ্লোর টেস্টের আগেই অর্থাৎ ২০ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী থেকে ইস্তফা দেন কমলনাথ৷ কিন্তু ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনে মধ্যপ্রদেশের দীর্ঘ দিনের বিজেপি শাসনের অবসান ঘটিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কমলনাথকে বসিয়েছিল কংগ্রেস৷ কিন্তু বিধায়কদের অন্তর্দ্বন্দ্বে মাত্র ১৫ মাসের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় কংগ্রেস সরকারের৷ কিন্তু ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে পাঁচ ভোটে হারিয়ে সরকার গঠন করেছিল কংগ্রেস৷ তারা ভোট পেয়েছিল ১১৪টি৷ আর বিজেপি ভোট পেয়েছিল ১০৯টি৷