থিম্পু: বৃহস্পতিবার থেকেই দাবি করা হচ্ছিল ভুটান অসমের কিছু অংশে জল সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এবার এই অভিযোগকে সরাসরি নাকচ করে দিল ভুটান। সে দেশের বিদেশ মন্ত্রক এ বিষয়ে একটি বিস্তারিত বিবরণে জানিয়েছে, এই ধরণের অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’।

ভূটান সরকার আরও জানিয়েছে, যে এই ধরণের অভিযোগ তুলে ইচ্ছাকৃত ভাবে অসম ও ভুটানের মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করা হচ্ছে। নিজেদের ফেসবুক পেজে ভুটানের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে এই অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং অসম ও ভুটানের মানুষের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নষ্ট করার জন্যই এমন অভিযোগ তোলা হয়েছিল।

ভুটান সরকার জানিয়েছে, অসমের বক্সা ও উদালগিরি জেলা বহু বছর ধরেই ভুটানের জলের উৎস থেকে উপকৃত হচ্ছে এবং বর্তমানে এই করোনা মহামারির মধ্যেও তা চালিয়ে যাচ্ছে।

ভুটানি বিদেশমন্ত্রক জানাচ্ছে, করোনাভাইরাস বিধিনিষেধের কারণে অসমের কৃষকরা স্বাভাবিক সময়ের মতো ভুটানে প্রবেশ করতে পারছেন না। এরফলে জল সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

বাকসা জেলার কৃষকরা জানাচ্ছেন, ভুটানি কালানদীর জল তাঁদের খুব দরকারি। ধান চাষের জন্য এই জল লাগে। যে খাল কেটে জল আনা হয় তা স্থানীয়ভাবে ডং নামে সুপরিচিত । ডং দিয়ে জল ছাড়া বন্ধ হলে চাষ মার খাবে।

চিন ও ভারতের মাঝে ছোট্ট দেশ ভুটান। এই দেশ বরাবরই ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব রাখে জওহরলাল নেহরুর সময় থেকে় এমনকি চিন-ভারত-ভুটানের মাঝে বিতর্কিত ডোকলাম ভূখণ্ড নিয়ে উত্তেজনার সময় নয়াদিল্লির পাশেই ছিল থিম্পু।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ