বারুইপুর: তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের সঙ্গে বৈঠক সারলেন বিজেপি নেতা বাবুল সুপ্রিয় ও সম্প্রতি পদ্ম শিবিরে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারী। জানা গিয়েছে বারুইপুরের এক হোটেলে এই তিন নেতার বৈঠক হয়।

তবে বৈঠককে পুরোপুরি কাকতালীয় বলে দাবি করেছেন বাবুল সুপ্রিয় ও কুণাল ঘোষ। উল্লেখ্য, তিন নেতাই আজ নিজের দলের হয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার বিভিন্ন জায়গায় সভা করেছেন। এরপরে রাতে এক হোটেলে এই বৈঠকের খবর জানা যাচ্ছে।

জানা গিয়েছে বারুইপুরের রোল্যান্ড ইন হোটেলে প্রায় ৪৫ মিনিট বৈঠক করেন তিন নেতা। কুণাল কুলতলি থেকে দলের সভা করে ফিরছিলেন। তাঁর দাবি, তিনি হোটেলে ঢুলেছিলেন তার পরই তাঁর সঙ্গে বাবুল সুপ্রিয় এবং শুভেন্দু অধিকারীর দেখা হয়। তিন নেতা এ ঘটনাকে কাকতালীয় বলে আখ্যা দিলেও রাজনৈতিক মহলের মতে এমন একটা সময় আচমকা কুণাল-বাবুল সুপ্রিয়- শুভেন্দু অধিকারীর বারুইপুরের রোল্যান্ড ইন হোটেলে দেখা হওয়া যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।

আরও পড়ুন – এক প্লেট বিরিয়ানির দাম প্রায় ২০ হাজার, কী রয়েছে এতে

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ঘাসফুল শিবিরে দারুণ সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে কুণাল ঘোষকে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে তাঁকে। নির্বাচন যখন ঠিক মাথার ওপরে তেমন সময়ে তিন নেতার সাক্ষাৎকে একেবারেই মামুলি বলে উড়িয়ে দিতে পারছেন না অনেকেই।

অন্যদিকে বাবুল ও কুণালের মতো শুভেন্দু অধিকারীও জানিয়েছেন, ‘চা খেতে গিয়ে হঠাৎ দেখা।’ বাবুল সুপ্রিয় জানিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রাজনৈতিক নয়, সৌজন্যমূলক কথাবার্তা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, বিগত কয়েকদিন ধরেই বিজেপিকে কড়া ভাবে  নিশানা করছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। এমনকি সম্প্রতি পুরসভার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও দায়ের করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন – নয়া পালক, ভারতীয় সেনায় যুক্ত হল ১১৮টি অর্জুন ট্যাংক

অন্যদিকে বাবুল সুপ্রিয়ও বিভিন্ন সময়ে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে। পিছিয়ে নেই শুভেন্দু অধিকারীও। তৃণমূলের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তিনিও। কিন্তু মঙ্গলবার এই তিনজনকেই দেখা গেল এক বৈঠকে। যা ঘিরেই শোরগোল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।