লখনউ: আবার সেই এক ঘটনা। তবে স্থান কাল পাত্ররা আলাদা। এবার উত্তরপ্রদেশে ৬ পরিযায়ী শ্রমিকদের ওপর দিয়ে চলে গেল সরকারি বাস। ঘটনায় আহত হয়েছেন দুই পরিযায়ী শ্রমিক।

জানা গিয়েছে, বুধবার রাত ১১ টা নাগাদ যোগী রাজ্যের মুজাফফর নগর জেলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরিযায়ী শ্রমিকেরা পঞ্জাব থেকে হাঁটা পথে বিহারের ফিরছিল বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বাসের চালক পলাতক এবং বাস পুরোটাই খালি ছিল।

লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পর বেশ কিছুদিন অপক্ষা করেছিলেন শ্রমিকেরা। কিন্তু দফায় দফায় লকডাউন বাড়ার ফলে বিরাট সমস্যায় পড়েছেন পরিযায়ী শ্রমিকেরা। একদিকে বিদেশ বিভূঁই। অন্যদিকে কোনও কাজ না থাকা বরং উলটে থাকা খাওয়ার খরচ। সব মিলিয়ে হেঁটে ফেরার পথে বাধ্য হয়েছে শ্রমিকেরা।

শ্রমিকদের এই ফেরা ঘিরে বেঁধেছে বিপত্তি। গত সপ্তাহেই মহারাষ্ট্রে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। পরিযায়ী শ্রমিকদের দেহের ওপর দিয়ে চলে যায় একটি মালবাহী ট্রেনের খালি রেক। ঘটনায় ১৬ জন পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

রেলট্রাক ধরে হাটছিলেন ওই শ্রমিকেরা। দিনভর হাঁটার পর তারা ক্লান্ত হয়ে রেললাইনের ওপরেই বিশ্রাম নিচ্ছিল। ভোর ৫ টা ১৫ নাগাদ চলে আসে মালগাড়ি, ঘটে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।