নয়াদিল্লি: দেশে আবার কিছুটা বাড়ল করোনা সংক্রমণ। শেষ ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হলেন ৪৩ হাজার ৮৯৩ জন। এই সময়ের মধ্যে মৃত্যু হল ৫০৮ জনের।

নতুন সংক্রমণ ও মৃত্যুর জেরে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৭০ লক্ষ ৯০ হাজার ৩২২ জন। করোনার জোরে দেশে মৃত্যু সংখ্যা রয়েছে ১ লক্ষ ২০ হাজার ১০ জনে।

বর্তমানে দেশে অ্যাক্টিভ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা রয়েছে ৬ লক্ষ ১০ হাজার ৮০৩। যা কিনা গতকালের তুলনায় ১৫ হাজার ৫৪ কম। এই পরিসংখ্যানকে যথেষ্ট আশাজনক মনে করা হচ্ছে।

দেশজুড়ে করোনা হামলার পরেও সুস্থ হয়ে উঠেছেন এমন মানুষের সংখ্যা ৭২ লক্ষ ৫৯ হাজার ৫০৯। শেষ ২৪ ঘন্টায় নতুন করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫৮ হাজার ৪৩৯ জন।

দেশে এই মুহুর্তে করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে কেন্দ্রের তরফে জানিয়ে দেওয়া হল নতুন কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। অর্থাৎ আনলক ৬-এ নতুন কিছু খোলার সম্ভাবনা নেই। এর আগে সেপ্টেম্বরে এই নির্দেশিকা ঘোষণা করা হয়েছিল, সেটাই বহাল থাকবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, কনটেনমেন্ট জোনগুলিতে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত লকডাউন জারি থাকবে। ব্যক্তি ও জিনিসপত্রের বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে চলাচলের ক্ষেত্রে কোনও বিধিনিষেধ থাকবে না। এরজন্য আগের মতোই অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

অন্যদিকে করোনা পরিস্থিতিতে শীত আশায় অনেকেই আশঙ্কিত। বিশেষ করে চিন্তিত ডাক্তাররা। ‘ট্যুইনডেমিক’-এর সংক্রমণের আশঙ্কায় ডাক্তাররা। করোনা আতংকের মধ্যেই নতুন করে চিন্তা বাড়ছে ‘ট্যুইনডেমিক’ নিয়ে।

ডাক্তাররা মনে করছেন যে, বহু মানুষ একইসঙ্গে করোনা ও ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্ত হতে পারেন। যার ফল আরও মারাত্মক হতে পারে বলে আশঙ্কায় ডাক্তাররা। ডাক্তাররা বলছেন যে, হাঁচি-কাশি ‘ট্যুইনডেমিক’-এর উপসর্গ বলেই জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বহু মানুষের মধ্যে এই ‘ট্যুইনডেমিক’ ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা ডাক্তারদের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।