স্টকহোম: হেপাটাইটিস সি ভাইরাস আবিষ্কারের জন্য সোমবার আমেরিকান হার্ভে জে অল্টার এবং চার্লস এম রাইস এবং ব্রিটিশ বিজ্ঞানী মাইকেল হাউটনকে চিকিৎসা শাস্ত্রে নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করল নোবেল জুরি।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন মনে করছে, বিশ্বব্যাপী ৭০ মিলিয়নেরও বেশি হেপাটাইটিসের রোগী রয়েছে এবং প্রতি বছর ৪০০,০০০ লোক মারা যায়। এটি এমন একটি রোগ যা কিনা দীর্ঘস্থায়ী এবং ক্যান্সারের জন্য দায়ী।

এর আগে ২০১৯ সালে চিকিৎসা শাস্ত্রে নোবেল পান লন্ডনের ফ্রান্সিস ক্রিক ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক স্যার পিটার র‌্যাটক্লিফ এবং আমেরিকার হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের উইলিয়াম ক্যালিন ও জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেগ সেমেনজা।

আরও পড়ুন – “কত সাহস…?” প্রিয়াঙ্কার পোশাক ধরে টানা পুলিশের ওপর ক্ষুব্ধ বিজেপি নেত্রী

তবে চলতি বছরে গত বছরের তুলনায় প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার ডলার বেশি দেওয়া হবে বলে সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন নোবেল ফাউন্ডেশনের প্রধান লারস হেইকেনস্টেন।

প্রথম দিন চিকিৎসা বিজ্ঞানের পর মঙ্গলবার পদার্থবিজ্ঞান, ৭ অক্টোবর বুধবার রসায়ন, ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সাহিত্য, ৯ অক্টোবর শুক্রবার শান্তি এবং ১২ অক্টোবর সোমবার অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিগত ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে এই নোবেল প্রাইজকে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ও সম্মানজনক বলে ধরা হয়। আলফ্রেড নোবেল নিজের মোট উপার্জনের ৯৪% তার উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরস্কার হিসেবে প্রবর্তন করেন। তখন অবশ্য পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হত। পরে ১৯৬৮ সালে তাতে যুক্ত হয় অর্থনীতি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।