নয়াদিল্লি: দেশে সর্বোচ্চ হারে রেকর্ড সংক্রমণ, আবারও! ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হলেন ২৮ হাজার ৭০১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫০০ জনের। এখন পর্যন্ত ২৪ ঘন্টার হিসেবে এটিই সর্বোচ্চ সংক্রমণ।

নতুন করে সংক্রমণের জেরে দেশে এখন পর্যন্ত মোট সংক্রমণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ লক্ষ ৭৮ হাজারের বেশি। এরমধ্যে অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ৩ লক্ষ ১ হাজার ৬০৯ টি। মোট মৃত্যু হয়েছে ২৩ হাজারেরও বেশি মানুষের। এখন পর্যন্ত সুস্থ হওয়া মানুষের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫৩ হাজার ৪৭১ জন।

অন্যদিকে রবিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে যে যুদ্ধে দেশবাসী নেমেছে, তা সফল হবেই। করোনার বিরুদ্ধে সাফল্য আসবে। পরিস্থিতি এখনও হাতের বাইরে যায়নি। ১৩০ কোটি মানুষের দেশে গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো বজায় রেখে করোনার সঙ্গে লড়াই করা, কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। তা ভারত দেখিয়ে দিয়েছে।

করোনা মোকাবিলায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের নিরিখে ভারত ভালো অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন অমিত শাহ। তবে করোনা পরবর্তী বিশ্বে ভারত এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশাপ্রকাশ করেন অমিত শাহ।

অন্যদিকে করোনার জেরে দেশের অন্যান্য রাজ্যগুলির মতোই কর্ণাটক ও তামিলনাড়ুতে বিপর্যস্ত জনজীবন। করোনার বিস্তার রুখতে নতুন করে লকডাউনের পথে হাঁটছে কর্ণাটক। রাজ্য সরকার জানিয়েছে মঙ্গলবার বিকেল থেকে সম্পূর্ণ লকডাউন করা হবে বেঙ্গালুরুতে।

অবশ্য মহামারীর মধ্যে আশার কথা হল, ভারতে এগোচ্ছে ভ্যাক্সিন তৈরির কাজ। কিন্তু কবে বাজারে আসবে ভ্যাক্সিন? কবে মানুষকে প্রতিষেধক দেওয়া হবে? তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে। একদিকে ১৫ অগস্ট দিন নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল। আবার গবেষকরা বলছেন, এত তাড়াহুড়ো করা ঠিক নয়।

শুক্রবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত পার্লামেন্টারি স্ট্যান্ডিং কমিটিকে এই বিষয় নিয়ে জানালেন সরকারি আধিকারিকেরা। তাঁরা জানিয়েছেন, আগামী বছরের আগে করোনার প্রতিষেধক আসা সম্ভব নয়।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ