শ্রীনগর: বুধবার সকালে সেন্ট্রাল রিসার্ভ পুলিশ ফরসের পেট্রলিং পার্টির উপর জঙ্গিরা হঠাত গুলি চালিয়েছে। অতর্কিতে এই হামলায় ২ সিআরপিএফ জওয়ান সহ এক নাগরিক গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে।

ঘটনার পরে ঘিরে ফেলা হয়েছে গোটা এলাকা এবং সেখানে অপারেশন শুরু হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে, এমনটাই জানিয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরের ডিজি দিলবাগ সিং।

সকল আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপর জানা যাচ্ছে, একজন ইতিমধ্যেই শহিদ হয়েছেন এবং প্রাণ হারিয়েছেন এক নাগরিক। এছাড়াও আরও তিনজন সিআরপিএফ জওয়ান গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন যাদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

বারামুল্লা জেলার সোপরে এদিন সকালে সিআরপিএফের গাড়ি যখন পেত্রলিং চালাচ্ছিল সেই সময় হঠাতই জঙ্গিরা সেই গাড়ির উপর গুলি চালায় বলেই জানা গিয়েছে।

দিন কয়েক আগেই গোটা ত্রাল এলাকাকে জঙ্গিমুক্ত ঘোষণা করেছিল জম্মু কাশ্মীর পুলিশ। তবে সেই দাবি ব্যর্থ করে নতুন করে এনকাউন্টার ছড়িয়ে পড়ল পুলওয়ামা জেলার ত্রাল এলাকায়। ফের তাহলে কি জঙ্গি ঘাঁটি তৈরি হয়েছে, প্রশ্ন উঠছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে।

বুধবার সকালে সেনা জঙ্গি সংঘর্ষ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুলওয়ামা জেলার একদা জঙ্গিমুক্ত ত্রাল। ত্রালের বিলালাবাদ গ্রামে জঙ্গি লুকিয়ে থাকার খবর পেয়েছে সেনার যৌথবাহিনী তল্লাশি চালাতে শুরু করে। অবন্তীপোরা পুলিশের তল্লাশি চালানোর সময়ে আচমকাই গুলি চালায় জঙ্গিরা। শুরু হয় এনকাউন্টার।

এক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিক জানান এই নিয়ে গত ২৪ ঘন্টায় দ্বিতীয় বার ও ৪৮ ঘন্টায় তৃতীয় বার এনকাউন্টার হল। মঙ্গলবার বিকেলেও বিজবেহারা এলাকায় অপারেশন চালায় সেনা। দুই জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়। তিন দিন আগে এক সিআরপিএফ জওয়ান ও এক শিশুকে হত্যা করার ঘটনায় অভিযুক্ত ছিল এই জঙ্গিরা বলে খবর মেলে। ৪২ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, সিআরপিএফ ও জম্মু কাশ্মীর পুলিশ যৌথভাবে তল্লাশি অপারেশন চালায়।

পুলওয়ামা জেলার দক্ষিণ কাশ্মীরের ত্রলের উলার অঞ্চলে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সারারাত গুলির লড়াই চলার পরে শুক্রবার তিন জঙ্গির মৃত্যু হয়, ঠিক সেই ঘটনার পরেই এমন দাবি জানায় জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV