বেঙ্গালুরু: বৃহস্পতিবার থেকে বেঙ্গালুরুতে জারি ১৪৪ ধারা। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে সোমবার অবধি জারি থাকবে ১৪৪ ধারা।

কারফিউ জারির প্রসঙ্গে কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘আমরা কোনও ধরনের হিংসা চাই না। যে কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কারফিউ জারি করা হল।’ বেঙ্গালুরু পুলিশ কমিশনার ভাস্কর রাও জানিয়েছেন, “১৪৪ ধারা আগামী তিন দিনের জন্য জারি থাকবে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টা থেকে চালু হয়ে চলবে ২১ ডিসেম্বর মধ্যরাত অবধি।”

অন্যদিকে বৃহস্পতিবারই কর্ণাটকে বনধের ডাক দিয়েছে সিপিএম ও ওই রাজ্যের সংখ্যালঘু সংগঠনগুলি। একই সঙ্গে বেশ কয়েকটি সংগঠনের তরফে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ কর্মসূচীও রয়েছে বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টা নাগাদ ‘হাম ভারত কে লোগ’ ব্যানার নিয়ে একটি জমায়েত হওয়ার কথা টাউন হলে। পাশাপাশি শুক্রবারও কলেজ পড়ুয়ারাও বেঙ্গালুরুর টাউন হলে জমায়েতের ডাক দিয়েছিল।

জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের ওপরে হামলার অভিযোগ, সিএএ, এনআরসি সহ একাধিক ইস্যুতে এই বিক্ষোভ আন্দোলনগুলির ডাক দেওয়া হয়েছিল।

কিন্তু ১৪৪ ধারা জারি হওয়ার ফলে, ৫ জনের বেশি ব্যক্তির সমাবেশ নিষিদ্ধ হল ওই রাজ্যে। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ হল মিটিং-মিছিলও। ফলে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার কর্ণাটকের পরিস্থিতি, বিশেষ করে রাজ্যের রাজধানী শহর বেঙ্গালুরুর পরিস্থিতি কোন দিকে যায় তা নিয়ে আশঙ্কা থাকছেই।  দেখার বিষয়, আদৌ কারফিউর মধ্যেও বিরোধীরা প্রতিবাদ বিক্ষোভে সামিল হয় কিনা। আর তা হলে সরকারের তরফে জারি কারফিউ ও বিরোধীদের ডাকা মিছিল ও বিক্ষোভের জেরে বৃহস্পতিবার কর্ণাটক উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা থাকছেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।