পুজো দোরগোড়ায় চলে এসেছে৷ ঘর থেকে বাইরে একটু বেরলেই ভালোভাবে বুঝতে পারবেন পুজোর এই পাঁচটা দিনকে ঘিরে বাঙালির ব্যস্ততা এখন কোন পর্যায়ে চলছে। অনেকদিন আগে থেকেই শহর থেকে শহরতলির বিভিন্ন পুজো উদ্যক্তাদের মধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে পুজোর জোর কদমের প্রস্তুতি। প্যান্ডেলে বাঁশ বাধার কাজ আগে থেকেই সারা হয়ে গিয়েছে৷ এখন বাকি শুধু ভিতর আর বাইরে থিমের প্রলেপ লাগানো।

উৎসবের উন্মাদনাকে ঘিরেই ইতিমধ্যে আমবাঙালি শুরু করে দিয়েছে পুজোর পাঁচ দিনের কাউন্ট ডাউন। আপনিও নিশ্চয় এই তালিকা থেকে বাদ যাননি। শুরু হয়ে গিয়েছে আসন্ন দুর্গা পুজোকে ঘিরে নানা রকম প্লানিং। নতুন জামা কাপড় পরে ঘোরা-ফেরা প্যান্ডেল হপিংয়ের পাশাপাশি বাঙালি যে জিনিসটা একদম ভুলে যায়না সেটা হল খাওয়া দাওয়া। কিন্তু ভেবেছেন কী, পুজোর দিনগুলো চটজলদি বাড়িতেই বানিয়ে ফেরা যাবে, এমন কিছু রেসিপির কথা?

আপনার কাজ সহজ করে দিতেই এই প্রতিবেদন৷ ঝট করে চোখ বুলিয়ে নিন রেসিপিগুলোতে৷ ব্যস৷ আপনার কাজ অর্ধেক সেখানেই শেষ৷

১৷ চিঁড়ের পোলাও- পোলাও খেতে ভালবাসে না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া বেশ দুষ্কর৷ আর পুজোর দিন সক্কাল সক্কাল একটু হালকা ধরনের পোলাও হবে অথচ দীর্ঘক্ষন পেট ভরতি থাকবে তাহলে তো কোনও কথাই নেই। সকালের আড্ডা বেশ ভালো ভাবে জমে যাবে চিঁড়ের এই রেসিপির সঙ্গে।

উপকরণ- ২৫০ গ্রাম চিঁড়ে, ২টি ছোট ছোট আলু, বাদাম পরিমানমত, কাজু-কিশমিস পরিমান মত, চিনি স্বাদমত, লবন সামান্য পরিমান, ঘি এক চামচ, সাদাতেল ১কাপ । চাইলে হলুদও দিতে পারেন রঙ এর জন্য।

প্রণালি- চিঁড়ের পোলাও রান্নার জন্য প্রথমে চিঁড়ে গুলো ভালভাবে ধুয়ে একটা পাত্রে জল ঝরিয়ে ঝরঝরে হবার জন্য একটা ফ্যানের নিচে পাতিয়ে রাখুন। চিঁড়ে ধোওয়ার সময় খেয়াল রাখবেন যাতে চিঁড়ে ভেঙে না যায়। তাহলে পোলাও কিন্তু ঝরঝরে হবেনা।

এরপর একটা কড়াইতে সাদা তেল দিয়ে ফোড়নের জন্য মেথি এবং তেজপাতা দিন। তারপর আগে থেকে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে রাখা আলু, বাদাম, এবং কাজু কড়াইতে ছেঁড়ে দিয়ে হালকা আঁচে ভালোকরে ভাজতে থাকুন। যতক্ষন না আলুগুলো তেলে সিদ্ধ হচ্ছে ততক্ষন ধরে রান্না করতে থাকুন। আলু এবং অন্যান্য সব উপকরন ভাজা হয়েগেলে তারমধ্যে আগে থেকে জল ঝরিয়ে রাখা চিঁড়ে এবং কিশমিস গুলি ছেঁড়ে দিন, এবং হালকা আঁচে নাড়তে থাকুন।

খেয়াল রাখবেন খুন্তি নাড়ার সময় চিঁড়ে গুলো যেন আস্ত আস্ত থাকে ভেঙে না যায়। মিনিট পাঁচ সাতেক এইভাবে নাড়ার সময় যখন পোলাও হয়ে হয়ে আসবে তক্ষন পরিমান মত চিনি এবং এক চামচ ঘি দিয়ে নামিয়ে ফেলুন গরমা গরম চিঁড়ের পোলাও।

২. সুজির প্যানকেক- খাবারের বৈচিত্র্য আনতে এবং সুস্বাদু খাবার তৈরিতে সুজির জুড়ি মেলাভার। সুজি খুব পুষ্টিকর খাবারও বটে। তাই তো ষষ্টীর সকালের জল খাবারের পাতে সুজির বিভিন্ন পদ খেতে দারুন পছন্দ করেন অনেকেই।
উপকরন- সুজি- ১ কাপ, দই আধ-কাপ, গোলমরিচ ১ চামচ, জল পরিমানমত। মেথি আধ কাপ, ধনেপাতা- বড় দুই চামচ, থাই চিলি কুচানো, মটরশুঁটি এক বাটি, গাজর কুচি, রান্না করা কিমা বড় দুই চামচ, লবন পরিমানমত, ঘি-অল্প।

প্রণালী- প্রথমে সুজি, দই, গোলমরিচ এবং লবণ আধকাপ জল দিয়ে ভালো ভাবে ফেটিয়ে নিন।
এবার ওই ফেটানো সুজি ঢাকা দিয়ে মিনিট ২০ মত রেখে দিন । এবার সব সবজি গুলো মিহি করে কেটে নিয়ে সুজির সঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর প্যানে আধ চামচ ঘি দিন, ঘি গরম হয়ে গেলে সুজির মিশ্রণ থেকে এক হাতা মিশ্রণ তুলে নিয়ে প্যানে দিন।

সুজির মিশ্রন প্যানের চারিদিকে ভালোভাবে ছড়িয়ে পড়লে হাতা বা খুন্তি দিয়ে তাতে লুচির মত সেফ দিন, এবং উপর দিয়ে কিমা ছড়িয়ে দিন। এবার ঢাকা দিয়ে কম আঁচে চার মিনিট সময় ধরে রান্না করুন। মাঝে মধ্যে ঢাকনা উল্টে সুজির দু-পাশ ভালো করে নাড়ুন একেবারে লালচে রঙ ধরলে নামিয়ে নিন। গরম গরম প্লেটে সাজিয়ে পরিবেশন করুন সুজির প্যান কেক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.