সুভীক কুন্ডু : সাতদিনে তিনবার সাম্বা ম্যাজিক দেখায় সুযোগ পেয়েছে ফুটবল মক্কা৷ যুবভারতীর গ্যালারি হয়ে উঠেছিল হলুদ-সবুজ সর্ষেক্ষেত৷ গালে ব্রাজিলের পতাকা আর গায়ে হলুদ জার্সি উড়িয়ে পাউলিনহোদের জন্য গলা ফাটিয়েছে ৬৬ হাজার ছুঁইছুঁই দর্শক৷ দেখলে মনে হবে এ তো যুবভারতী নয়, অন্য গোলার্ধের রিও’ শহরের ঝলক৷ যেন সেখানকার মারাকানা মাঠেই হোম সাপোর্টের সামনে খেলে গেল সেলেকাওরা৷

সত্যিই কি এই তিনদিনে যুবভারতী হয়ে উঠতে পেরেছে স্বর্গীয় মারাকানা? ব্রাজিল দলের মিডিয়া অফিসার গ্রেগরিও ফার্নান্ডেজ অন্য কথা শোনালেন৷

তৃতীয় স্থান নির্ণায়ক ম্যাচের হাফটাইম৷  ব্রাজিল- মালির ম্যাচের স্কোরলাইন তখন ০-০৷ আফ্রিকান জায়ান্টদের সামনে ঘুমিয়ে পড়ল নাকি লিঙ্কনরা৷ গোটা টুর্নামেন্টে এত খারাপ ফুটবল খেলেনি তো ব্রাজিল! কথা শেষ হতে না হতেই ব্রাজিলের মিডিয়া অফিসার গ্রেগরিও শোনালেন,‘হ্যাঁ, ঠিকই বলেছেন একটু যেন ঘুমিয়েই পড়েছে সেলেকাওরা৷ তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঠিক জেগে উঠবে৷’  (দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য সত্যিই জোড়া গোলে বিশ্বকাপের তিন নম্বর স্থান পাকা করে পাউলিনহোরা৷)

ছবি-শশী ঘোষ

এরপরেই মারাকানা আর যুবভারতীর তুলনা টানতেই হল৷ ব্রাজিলের গ্রেগরিও শোনালেন, ‘মারাকানা আর যুবভারতীর মধ্যে অনেকটা ফারাক রয়েছে৷ মারাকানায় দর্শক আসনগুলো মাঠের আরও কাছে৷ যুবভারতীতে একটা অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাক রয়েছে দেখছি৷ তাই দর্শক আর মাঠের দূরত্বটা মারাকানার চেয়ে এখানে একটু বেশীই৷ ওখানে দর্শকরা নেইমারদের আরও কাছ থেকে দেখার সুযোগ পায় এই যা৷’

দর্শকদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই? এবার অবশ্য গ্রেগরিও প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন৷ তিনি বলেন ‘ আমরা কলকাতায় দর্শকদের থেকে এত ভালবাসা পাব আশাই করিনি৷ সত্যিই মারাকানার মতোই সাপোর্ট ছিল৷ জার্মানি ম্যাচে কলকাতাবাসীর সমর্থন দেখে পাউলিনহোরাও অবাক হয়ে গিয়েছিল৷ ভারত দেশটা আমাদের দারুণ লেগেছে৷ আমাদের হয়ে গলা ফাটানোর জন্য ধন্যবাদ৷’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ