প্রতীতি ঘোষ, হাবড়া : রাজনৈতিক জল্পনা কয়েক গুণ বাড়িয়ে সদ্য পদত্যাগ করেছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বনমন্ত্রীর পদ ছাড়ার আবেদন জানিয়ে চিঠি লিখেছেন তিনি। ভোটের মুখে তাঁর এই পদত্যাগ ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এই পরিস্থিতিতে কী বলছে তৃণমূল?
শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙা টাউন হলে মতুয়াদের নিয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে বৈশালী ডালমিয়া  ও রাজীব বন্দোপাধ্যায়ের তীব্র সমালোচনা করেন রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও সৌগত রায়। তাঁরা জানান, ‘দল এতদিন ওর প্রতি ধৈর্য্য দেখিয়েছিল। আজ ওকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ ব্রাত্য বসু বলেন, “কে বৈশালী ডালমিয়া? আমি চিনি না। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ করা হয়েছে । উনি ভুল করলেন, আমার ব্যক্তিগত মতামত।”
এরপর সৌগত রায় বলেন, “বৈশালী ডালমিয়া রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপসারণের পর দল বিরোধী মন্তব্য করেছেন, দল এতদিন ওর প্রতি ধৈর্য্য দেখিয়েছিল। আজ ওকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  দল কতদিন সহ্য করবে।”
এদিকে দুয়ারে কড়া নাড়ছে বিধানসভা ভোট। রাজ্যজুড়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিয়েছে সব দল। তবে বিধানসভা ভোটের ঠিক মুখে শাসকদল তৃণমূলের অস্বস্তি বেড়েই চলেছে। শুক্রবার রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এবার তৃণমূল নেতা মদন মিত্রের নিশানায় শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়রা। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের সভা থেকে নাম না করে শুভেন্দু, রাজীব-সহ অন্যদের কটাক্ষ করেন মদন মিত্র। বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওদের নোবেল দেওয়া উচিত ছিল।’’
শুক্রবার কেশপুরের আনন্দপুর মাঠে সভা করে তৃণমূল। সেই সভাতেই দলত্যাগীদের তীব্র ভাষায় বিঁধেছেন মদন মিত্র। একইসঙ্গে কড়া সমালোচনা করেছেন বিজেপিরও। এদিন শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ শানিয়ে মদন মিত্র বলেন, ‘‘ধাপে-ধাপে উঠে অমিত শাহের ঘরে গিয়ে বেইমানি করেছে।” গত কয়েকমাস ধরেই তৃণমূলে বেসুরো গাইছেন একাধিক বিধায়ক-নেতা। দলের প্রতি প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন কেউ-কেউ। এদিন তাঁদেরও কটাক্ষ করেছেন মদন মিত্র। এপ্রসঙ্গে তিনি এদিন বলেন, ‘‘এখন অনেকেরই নাকি ক্ষোভ-অভিমান হচ্ছে। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের উচিত ছিল এদের নোবেল দেওয়া।’’
অন্যদিকে, নির্বাচন যত এগোচ্ছে অস্বস্তি ততই বাড়ছে তৃণমূলে। শুক্রবার রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, ‘‘আমার তো খুব ভালো লাগছে। দেখ তৃণমূল কেমন লাগে! ভোট ঘোষণার আগে পর্যন্ত এবার দেখতে থাকুন। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। ওর মেরুদণ্ড সোজা। বিরাট তালিকা আছে। দিলীপদা তো রোজ জয়েন করাচ্ছেন।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।