তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া : এ রাজ্যে ‘সত্যিকারের বামপন্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’। রবিবার বাম-কংগ্রেস ও সহযোগী দল গুলির ব্রিগেড সমাবেশ প্রসঙ্গে ছাতনায় দলীয় এক কর্মসূচীতে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন তৃণমূল নেতা ও মন্ত্রী ব্রাত্য বসু।

এদিন তিনি এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বলেন, “এখানকার বামপন্থার যা ঐতিহ্য বৃহৎ এক চেটিয়া পুঁজির বিরোধীতা, গরীব মেহনতি মানুষের সঙ্গে থাকা এটা যদি সত্যিকারের বামপন্থা হয়, তবে বামপন্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বামপন্থা বিষয়টা তাঁর (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) সঙ্গে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িয়ে গেছে। এই অবস্থায় এই মুহূর্তে এখানকার বামপন্থীরা দিশেহারা, তাদের আদর্শ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়ে নিয়েছে” বলে তিনি দাবি করেন।

আরও পড়ুন – রাম মন্দিরের জন্য আসছে দু’হাত ভরে অনুদান, সংগৃহীত ২১০০ কোটি টাকা

অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে ব্রাত্য বসু বলেন, বাঁকুড়ার ১২ আসনেই ‘আমরা ভালো অবস্থায় আছি’। এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যে কাজ হয়েছে তা ‘আমলাতন্ত্র, রাজনীতিতন্ত্র’ ছাপিয়ে মানুষের মধ্যে কাজ হয়েছে। নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ থাকলেও সব ছাপিয়ে তারা জিতবেন বলে তিনি নিজে আত্মবিশ্বাসী ব্রাত্য বসু জানান।

এদিনের দলীয় কর্মসূচীতে গিয়ে ব্রাত্য বসু ছাতনার বাসুলী মন্দিরে পুজো দেন। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা ও বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি শুভাশীষ বটব্যাল, দলের জেলা কো-অর্ডিনেটর সুব্রত দরিপা সহ স্থানীয় নেতা কর্মীরা।

আরও পড়ুন- ভারতীয় স্পিনাদের বিরুদ্ধে কীভাবে খেলবেন, জানালেন চ্যাপেল

অন্যদিকে ব্রিগেডের ভিড় নিয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে (Sougata Ray) প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “পশ্চ্যিমবঙ্গে ১০কোটি মানুষ থাকেন। ভিড় তো হবেই। আর এসেছে তো ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের লোকেরা। এর ফলে বিরোধী ভোট ভাগ হবে। যার সুবিধা তৃণমূলই পাবে।” কিন্তু যে দলকে অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে দেখা যায় তাদের ডাকা ব্রিগেড সমাবেশে এতো ভিড়? এই প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গিয়েছেন সৌগতবাবু। তবে তিনি মানতে চাইছেন না যে এই ভিড়ে বাম, কংগ্রেসের (Congress ) বহু মানুষ আছেন। তাঁর দাবি, “এই ভিড় ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের ভিড়।”

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.