কলকাতাঃ  ধর্ম কারোর একার হতে পারে না। কিন্তু কেউ ধর্মকে তাদের ব্যক্তিগত ভেবে নিচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমস্ত ধর্মের অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এটাই আমাদের সংস্কৃতি। এমনটাই মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূলের বিধায়ক ব্রাত্য বসু। শুধু তাই নয়, ভোটের আগে রামকৃষ্ণ এবং বিবেকানন্দকে বিজেপি ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ ব্রাত্যের।

তিনি বলেন, মমতাদি মনিষীদের সম্মান দেওয়ার জন্যে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছেন। বিবেকানন্দের নামে গবেষণা কেন্দ্র থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে ভুল তথ্য দেওয়া হচ্ছে। মনিষীদের নামে ভুল তথ্য রাখা হচ্ছে। একেবারে সংকীর্ণস্তরে রাজনীতি করার জন্যে মনিষীদের নাম বিজেপি ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ বিজেপির।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ব্রাত্য বসু বলেন, বিবেকানন্দ বেলুড় মঠ তৈরি করেছিলেন। সেখানে সবাইকে সেবার দিকে নজর দেওয়ার কথা বলেছিলেন। দৈন্যদিন রাজনীতি থেকে মানুষকে সরে আসার কথা বলেন বিবেকানন্দ। কিন্তু সেখানে বিবেকানন্দকে দৈন্যদিন রাজনীতিতে স্বামীজিকে টেনে নামানো হচ্ছে বলে অভিযোগ রাজ্যের মন্ত্রীর।

অন্যদিকে, আজ সোমবার রানাঘাটের সভা থেকে ফের বিরোধী বিজেপিকে নিশানা করলেন তৃণমূলনেত্রী। বিজেপির সমালোচনা করতে গিয়ে টানলেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রসঙ্গ। গেরুয়া শিবিরকে বিঁধে মমতার কটাক্ষ, ‘‘ট্রাম্প যেমন হেরে গিয়েও জতে-জিতেছি করছেন, ঠিক তেমনি বিজেপিও হেরে জিতেছি-জিতেছি করছে।’’

সোমবার রানাঘাটের হবিবপুরে সভা করেন তৃণমূলনেত্রী। সবা-মঞ্চে এদিন বক্তৃতা করতে উঠে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগাগোড়া ছিলেন আক্রমণাত্মক মেজাজে। বক্তৃতায় মতুয়াদের পাশে থাকার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি একাধিক ইস্যুতে তুলোধনা করলেন বিজেপিকে। একুশের ভোটে বাংলা দখলে মরিয়া বিজেপি। আসন্ন নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলেছে বলে প্রত্যয়ী দলের নেতারা। এদিন বিজেপির সেই প্রত্যয়কেই নিশানা করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

বিজেপিকে বিঁধে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ট্রাম্প যেমন হেরে গিয়েও জতে-জিতেছি করছেন, ঠিক তেমনি বিজেপিও হেরে গিয়ে জিতেছি-জিতেছি করছে।’’ ভোটের আগে বিজেপি মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে বলে অভিযোগ তৃণমূলনেত্রীর। টাকা বিলিয়ে বিজপি ভোট কেনার চেষ্টা করছে বলেও এদিন অভিযোগ তুলেছেন মমতা।

এপ্রসঙ্গে তিনি এদিন বলেন, ‘‘ভোটের আগে গ্রামে গ্রামে গিয়ে কুৎসা রটাচ্ছে। টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে। টাকা দিলে নিয়ে নিন, হজম করে দিন। ভোট এলেই চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিজেপি। বিজেপির মিথ্যার জুড়ি নেই। ’’ বিজেপি ইডি, সিবিআই দিয়ে ভয় দেখিয়ে দল-ভাঙানোর চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও এদিন অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, ‘‘ইডি, সিবিআই দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। কালো টাকা সাদা করানোর টোপ দিয়ে দলে টানছে। কাউকে টাকা দিয়ে কিনছে, কাউকে ভয় দেখিয়ে কিনছে। ওরা আমাকে একটু-একটু ভয় পায়, জানে আমি মাথা বিক্রি করি না।’’

বিজেপির বাংলা দখলের অভিপ্রায় পূরণ হবে না বলে এদিন মন্তব্য করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘বাংলা বাংলার মতো থাকবে। বাংলাকে বেচতে দেব না। বিজেপি তাণ্ডব করলে শান্তিপূর্ণভাবে জবাব দেবেন মা-বোনেরা। বাংলার মেরুদণ্ড ভাঙতে দেব না।’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।