নয়াদিল্লি: সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল ‘ব্রহ্মসে’র নবতম সংস্করণটি সফলভাবে পরীক্ষিত হল৷ শুক্রবার বেলা ১২টায় পোখরান থেকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর তরফে এই নতুন মিসাইলের পরীক্ষা চালানো হয়৷ ব্রহ্মসই হল এখনও পর্যন্ত জাহাজ-বিধ্বংসী সব চাইতে দ্রুতগামী ও অত্যাধুনিক স্বল্পপাল্লার মিসাইল, যা ভারত ও রাশিয়া একত্রে তৈরি করেছে৷

বায়ুসেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ‘ব্রহ্মসে’র এই নবতম সংস্করণটির পাল্লা ২৯০ কিমি৷ ভূপৃষ্ঠের ১০ মিটার থেকে শুরু, তার পর ধাপে ধাপে ১৫ কিলোমিটার উচ্চতা থেকেও এই ক্ষেপণাস্ত্র ঈপ্সিত লক্ষ্যবস্তুতে ছোঁড়া সম্ভব৷ এছাড়া সমুদ্রের ৪০-৫০ মিটার গভীরতায় কোনও সাবমেরিন থেকেও এটি আঘাত হানতে সমর্থ৷ ২০১৩ সালেই জলতল থেকে প্রথম ব্রহ্মসের পরীক্ষা সফল হয়েছিল৷তখনও ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর মাথার উপর ছিল এপিজে আবদুল কালামের আশীর্বাদ৷এবার সেই প্রেরণাকে পাথেয় করে ভারতের বিমান বাহিনী সুখোই-থার্টি এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর জন্য কোমর বাঁধছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।