যোধপুর: প্রতিরক্ষা গবেষণায় বড়সড় সাফল্য পেল ভারত৷ ২৯০ কিলোমিটার পাল্লার সুপারসোনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মস-এর সফল উৎক্ষেপণ করল ভারতীয় সেনা৷ বৃহস্পতিবার সকালে রাজস্থানের পোখরান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়৷

আরও পড়ুন: বায়ুসেনায় নিয়োগের ভুয়ো ওয়েবসাইট উদ্ধার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন এই সাফল্যের জন্য ডিসেন্স রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট অগানাইজেশনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন৷ রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করেছে ভারত৷ ব্রহ্মসের রেঞ্জ ৪০০ কিমি অবধি বাড়ানো সম্ভব৷ তবে এর গতি আরও বাড়াবে ভারত৷

২০১৬ সালে মিসাইল টেকনোলজির কন্ট্রোল রিজাইমের স্থায়ী সদস্য হওয়ার পর মিসাইলের রেঞ্জ ৪০০ কিমি অবধি বাড়ানোর ক্ষমতা পেয়েছে ভারত, যা এতদিন কিছু বিধিনিষেধের কারণে করতে পারা যাচ্ছিল না৷

আরও পড়ুন: মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ‘মোদীকেয়ার’

এই মিসাইলের সমান কোনও মিসাইল এই মুহূর্তে বিশ্বে নেই। গতি কিংবা ক্ষমতায় বর্তমানে বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী মিসাইল এটি। ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে সফলভাবে উৎক্ষেপন করা হয়৷ বিশ্বের সবথেকে ভয়ানক সুপারসনিক এই ক্রজ মিসাইলকে Su-30 MKI-থেকে পরীক্ষামূলভাবে ওড়ানো হয়৷

রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ভারত এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে৷ ব্রহ্মপুত্র ও মোস্কভা নদীর নাম অনুযায়ী এই মিসাইলের নাম রাখা হয় ব্রাহ্মোস৷ দৃশ্যমানতার বাইরে অপারেশন চালাতে সক্ষম ব্রহ্মস। অত্যন্ত ক্ষমতাশালী প্রতিরক্ষা বলয়কেও ভেঙে ফেলতে পারবে এই মিসাইল।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানে ঢুকে অভিযান চালানোর অভিযোগ অস্বীকার আমেরিকার

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।