দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি স্টেলথ ডেস্ট্রয়ার দিয়ে সফল উৎক্ষেপণ ব্রহ্মসের

নয়াদিল্লি : সামরিক ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হচ্ছে ভারত। এবার ব্রহ্মস মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ করা হল সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি স্টেলথ ডেস্ট্রয়ারের মাধ্যমে। রবিবার ভারতীয় নৌসেনার জন্য তৈরি এই স্টেলথ ডেস্ট্রয়ার আইএনএস চেন্নাই থেকে মিসাইল ছোঁড়া হয় পরীক্ষামূলক ভাবে।

ব্রহ্মস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল। আরব সাগরে লক্ষ্যবস্তুতে গিয়ে নির্ভুলভাবে আঘাত করে ব্রহ্মস। এই পরীক্ষার সফলতার জন্য ডিআরডিওকে অভিনন্দন জানান কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। অন্যদিকে, দলের বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানান ডিআরডিওর চেয়ারম্যান জি সতীশ রেড্ডি।

তিনি বলেন ভারতীয় নৌসেনা ও সেনা বাহিনীকে সবরকম ভাবে সাহায্য করবে ব্রহ্মস মিসাইল। ৩০শে সেপ্টেম্বর সফল ভাবে উৎক্ষেপণ করা হয় সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল ব্রহ্মসের। এই মিসাইল ৪০০ কিমি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত ভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।

ডিআরডিও-র আওতায় পিজে-১০ প্রজেক্টের নিয়ন্ত্রণাধীন এই মিসাইলের দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করা হল। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি অতিরিক্ত বুস্টার প্রয়োগ করে এই মিসাইল তৈরি করা হয়েছে। এই মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণের ফলে ডিআরডিও-র হাতে এখন ৫০০ কিমি রেঞ্জের মিসাইল তৈরি রইল।

সম্প্রতি চিন সীমান্তে সবথেকে বেশি গতিসম্পন্ন এই মিসাইল মোতায়েন করা সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এর গতি হবে ৩০০০ কিলোমিটার/ ঘণ্টা। আর এতেই আতঙ্ক বেড়ে গিয়েছে চিনের।

অন্ধ্রপ্রদেশের সীমান্তে এই মিসাইল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাখা হতে পারে কাশ্মীরেও। পাহাড়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শত্রুদেরও সহজেই টার্গেট করা যায় এই মিসাইলের মাধ্যমে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাঁচটি রেজিমেন্টের প্রত্যেকটিকে ১০০টি করে মিসাইল আছে। ভারতীয় সেনার গর্বের মিসাইল ব্রহ্মস ।

চিনকে চাপে রাখতে ইতিমধ্যে সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে এই মিসাইল। ২০০৭ থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে রয়েছে ‘ব্রহ্মস’। একাধিকবার এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ পরীক্ষা করা হয়েছে।

করা হয়েছে আরও অত্যাধুনিক। এক সময় ব্রহ্মস এয়ারোস্পেসের তৎকালীন প্রধান সুধীর মিশ্র বলেছিলেন, ‘ব্রহ্মস মিসাইল সিস্টেম ভারতের সবথেকে ক্ষমতাশালী অস্ত্র।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।