নয়াদিল্লি: বড়সড় রদবদল আসতে চলেছে জিএসটি-তে। জিএসটি কাউন্সিল আগামী বছরেই ট্যাক্স রেট বাড়াতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। রেভিনিউ বাড়ানোর জন্য এই পদক্ষেপ নিতে চলেছে মোদী সরকার। আগামী ১৮ ডিসেম্বর বসবে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক। আর সেখানেই এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

ট্যাক্স স্ল্যাব বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে ওই বৈঠকে। কতটা বাড়ানো হবে, সে ব্যাপারে কিছু ইঙ্গিত মিলেছে।

একটি সূত্র জানাচ্ছে, দু’ভাবে ট্যাক্স স্ল্যাব বাড়ানো হতে পারে। ৫ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশ করা হতে পারে। সেটা সহজ উপায়। অন্য ক্ষেত্রে এটা আরও বাড়তে পারে। তবে ৮ শতাংশের থেকে বেশি নয়। সেক্ষেত্রে ৮ থেকে ১৮ শতাংশের মধ্যে থাকা স্ল্যবগুলির মধ্যে ১২ শতাংশের স্ল্যাব সরানো হতে পারে। ৫ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশ করা হলে, সরকারের প্রতি মাসে ১০০০ কোটি অতিরিক্ত রেভিনিউ আসবে।

অন্যান্য সূত্রে জানা যাচ্ছে, বর্তমানে ৫,১২,১৮ ও ২৮ শতাংশের যে স্ল্যাব রয়েছে, তা থেকে ৮,১৮ ও ২৮ তিনটি স্ল্যাবে নিয়ে আসা হবে। ৬০ শতাংশ জিনিসেই ৮ শতাংশ ট্যাক্স নেওয়া হয়। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এর ফলে বেশ কিছু জিনিসের দাম বাড়তে পারে। বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার এই ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে, যেসব জিনিস উচ্চবিত্তরা ব্যবহার করেন, সেইসব জিনিসের দাম বাড়তে পারে। যেসব জিনিসে দাম বাড়তে পারে সেগুলি হল, মোবাইল ফোন, বিমানের টিকিট, এসি ট্রেন, ক্রুজ, আাঁকা ছবি,পিৎজা, বেসরকারি হাসপাতালের কেবিনের দাম ও সিল্ক এবং লিনেনের কাপড়।

মঙ্গলবার অর্থ মন্ত্রক সূত্রের বক্তব্য, রাজ্যগুলি চাইছে যে সব পণ্যের জিএসটির হার ৫%, তার মধ্যে বেশ কয়েকটির হার ১০% হোক। যে সব পণ্যে ১২% হারে জিএসটি রয়েছে, তাদের জিএসটির হার বাড়িয়ে করা হোক ১৮%। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে জিএসটিতে করের হার চারটি থেকে কমে তিনটিতে নেমে আসতে পারে।
পশ্চিমবঙ্গের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের যুক্তি ছিল, জিএসটি ফাঁকির ফলেও আয় হারাচ্ছে কেন্দ্র ও রাজ্য। এ দিন অর্থ মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বক্তব্য, কাঁচামালে মেটানো কর বাবদ ছাড়ের অপব্যবহার হচ্ছে। বিজেপি সাংসদ জয়ন্ত সিন্‌হার নেতৃত্বাধীন কমিটির প্রস্তাব, নজরদারি বাড়িয়ে কর ফাঁকি রোখা হোক।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ