নয়া দিল্লি: ভারত যেমন বৈচিত্রের দেশ তেমন এর বাইরেও এসব নানা বৈচিত্র্য দেখতে পাওয়া যায়। বিভিন্নভাবে বিভিন্ন জায়গায় নানা সামাজিক প্রথা নিয়ে রয়েছে নিয়ম। সেসব নিয়ম আমদের থেকে আলাদা। তা দেখলে অনেক সময়েই অনেকটাই অবাক হতে হয়। তবে সেগুলোই সেইসব জায়গার স্বতন্ত্রতা। বেশ কিছু জায়গায় বিশ্বে বিয়ে নিয়ে নানা মজার ও বিস্ময়ের নিয়ম আছে। আবার অন্যান্য নিয়ম এমনও আছে যা সত্যি ভালো। তাই এসব নিয়ম নিয়ে অনেকেই কাটাছেঁড়া করতে চান না।

পাকিস্তান দেশটির উত্তর পশ্চিমে একটি গিরিপথ রয়েছে যার নাম খাইবার পাখতুনখোয়া। সেখানে আছে বিখ্যাত হিন্দুকুশ পর্বতশ্রেণী। একে আগে গ্রিকরা বলতেন ককেশাস ইন্ডিকাস। এর পাদদেশে বাস করে এক বিশেষ উপজাতির মানুষ। এদেরকে বলা হয় কালাশ। এদের সঙ্গে আবার পাকিস্তানের বাসিন্দাদের কোনো মিল নেই চেহারায়। আবার সমাজ ও খাদ্যের দিক দিয়েও কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায় না। সেখানে পুরুষরা মানে এক অদ্ভুত নিয়ম। বয়স ১৫ পেরোলেই তারা ভেড়ার পাল নিয়ে ছেলেদের পাঠিয়ে দেয় বরফের উঁচু পাহাড়ে। সেই দুর্গম জায়গায় তারা কাটায় একাই। নিজেদের খুঁজতে হয় আশ্রয়। জলের উৎস খুঁজে বের করতে হয় ওই ঠান্ডার মধ্যেই। খায় ভেড়ার মাংস আর দুধ। আবার থাকতে হয় মাসের পর মাস। শেষে পরের শীতকাল আসার আগে তারা ফিরে আসে বাড়িতে।

আরো পোস্ট- ৭ দিনেই ঝরবে মেদ, ফলো করুন এই ডায়েট

তবে সবাই ফিরে কিনা সেটা একটা প্রশ্নের জায়গা। কিশোর সাবালক হলেই ফেরে বাড়ি। তখন হয় বাদুলাক উৎসব। সেই অনুষ্ঠান শেষ হলে সে নিজের পছন্দের সঙ্গিনী বাছতে পারে। পছন্দ করা মেয়েকে নিয়ে সে গ্রামের বাইরে চলে যায়। তারা সেখানে একান্তে কাটায় সময়। যতদিন ছেলেটির খুশি ততদিন সে সেখান থেকে যেতে পারে। পুরো শীতকাল এভাবেই ঘরের ভেতর কাটায় তারা।

শীতকালের প্রভাব কমলে তার ফেরে বাড়ি। সেই সময়টায় ছেলেটি ও মেয়েটি স্বাধীনভাবে সংসার করার স্বাদ পেয়ে যায়। তবে সংসার তারা সেই অর্থে করে না। কারণ ফিরে এসে তারা একসঙ্গে থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।