ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: সিকিম সীমান্ত নিয়ে চলা উত্তেজনার মাঝেই চিনের বিরুদ্ধে নয়া অবস্থান নিল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএস। সংঘ পরিবার এবং তাদের সহযোগী সকল সংগঠন চিনা সামগ্রী বয়কট কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

চলতি মাসের আট এবং নয় তারিখে আগ্রায় একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় অংশ নিয়েছিল ভারত-তিব্বত সহযোগ মঞ্চ, অল ইন্ডিয়া তিব্বত সাপোর্ট গ্রুপ এবং সংঘ পরিবারের বহু সংগঠন। নিত্যদিনের প্রার্থনায় চিনা সামগ্রী ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আগ্রার বৈঠকে। সমগ্র ভারতবাসীর কাছে বছরের অন্তত একটা অনুষ্ঠানে চিনা সামগ্রী বয়কট করার আবেদন করেছে সংঘ পরিবার এবং ওই বৈঠকে অনুষ্ঠিত সংগঠনগুলি।

এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন প্রবীণ আরএসএস নেতা ইন্দ্রেশ কুমার। তাঁর কথায়, “সমগ্র এশিয়ায় চিনের প্রভাব উদ্বেগজনক। নাস্তিক দেশ হয়েও সকল ধর্মীয় অনুষ্ঠানের পণ্যের মাধ্যমে সম্প্রসারণবাদের নীতি নিয়ে চলছে।” একইসঙ্গে তিনি আর বলেছেন, “আন্তর্জাতিক মঞ্চে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের লড়াইয়ের পাশে দাঁড়ায় না চিন। বেজিং-এর ভেটোর কারণেই উচ্চতর বৈশ্বিক সংস্থায় স্থায়ী সদস্যপদ পাচ্ছে না দিল্লি।”

তিব্বত সহ সমগ্র হিমালয় পার্বত্য অঞ্চল চিন নিজেদের দখলে রাখার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেছেন ইন্দ্রেশ কুমার। দেশবাসীর কাছে তাঁর আবেদন, “সকল দোকানদার সাইনবোর্ডে লিখে রাখুক যে তাঁরা চিনা পণ্য বিক্রি করে না। আমাদের সকল দেবতা এবং কৈলাস মানস সরোবরকে চিনা প্রভাব থেকে মুক্ত করা উচিত।” হিমালয় পার্বত্য এলাকা এবং সমগ্র এশিয়া থেকে চিনের দাপট বন্ধ করা ডাক দিয়েছেন প্রবীণ বিজেপি নেতা বিএস ওশিয়ারি। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, “প্রত্যেক ভারতীয় তিব্বতের স্বাধীনতাকে সমর্থন করে।”