সারায়েভো: করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রুখতে এখনও রীতিমতো চেষ্টা করে চলেছে ইউরোপের একাধিক দেশ। যার মধ্যে রয়েছে বসনিয়াও। দেশজুড়ে বাড়ির বাইরে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক ঘোষণা করেছে বসনিয়ান কর্তৃপক্ষ। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বসনিয়াতে করোনার পরিসংখ্যান অনুসারে সর্বোচ্চ দৈনিক সংখ্যক ধরা পড়তেই বুধবার এই মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক নিয়ম জারি করা হয়েছে।

নব্বইয়ের দশকে বিধ্বংসী যুদ্ধের পর ইউরোপের অন্যতম দরিদ্র দেশ বসনিয়া এই মুহূর্তে করোনার আতঙ্কে ভুগছে। চাপ বাড়ছে তাঁদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর ।

উল্লেখ্য, বসনিয়াতে সংক্রমণ বাড়ছে, কিন্তু তবুও বসনিয়ার লোকেরা ইদানীং সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক পরার ব্যাপারে রীতিমতো অনীহা প্রকাশ করছে। এরপরেই সিদ্ধান্তে কঠোর হয় প্রশাসন।

সারায়েভো কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, লোকেরা মাস্ক না পরে বাইরে বেরোলে এবার থেকে দিতে হবে জরিমানা। যার পরিমাণ ধার্য করা হয়েছে ২৫০ থেকে ৭৫০ ইউরো। যা কিনা ভারতীয় মুদ্রায় ২১ হাজার টাকা থেকে প্রায় ৬৪ হাজার টাকার সমান।

উল্লেখ্য, করোনা সংক্রমণ রুখতে মাস্ক ও স্যানিটাইজারকেই অন্যতম অস্ত্র বলে মানছেন বিশেষজ্ঞরা। এর সঙ্গে মানতে হবে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং। যতদিন না ভ্যাকসিন বাজারে আসছে, ততদিন এভাবেই লড়াই লড়তে হবে ভাইরাসের সঙ্গে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।