ডর্টমুন্ড: একরাশ উদ্বেগ এবং বিতর্ককে সঙ্গী করে চলতি মাসেই ফুটবল ফিরছে জার্মানিতে। আগামী ১৫মে থেকে পুনরায় চালু হচ্ছে স্থগিত হয়ে যাওয়া বুন্দেসলিগা। নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষার মধ্যে দিয়ে চলা ক্লাবগুলির কাছে লিগ শুরু হওয়ার পর ফুটবলারদের নিরাপত্তার বিষয়টি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের।

এমন সময় বুন্দেসলিগা জায়ান্ট বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ঘোষণা করল তারা ফুটবলারদের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত। ক্লাবের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আর্লিং হ্যালান্ডদের জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেছেন। এক বিবৃতিতে হান্স জোয়াকিম জানিয়েছেন, ‘কড়া নিয়মানুবর্তিতা মেনেই দেশে অনেক কল-কারখানার চালু হচ্ছে। একইভাবে দেশে চালু হচ্ছে পেশাদার ফুটবলও। এমন সময় ফুটবলারদের নিরাপত্তার বিষয়টি বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের চরম দায়িত্ববোধের মধ্যে পড়ে।’

আরও যোগ করে তিনি বলেছেন, ‘মারণ ভাইরাসের প্রকোপ এড়াতে আমাদের ক্ষমতা অনুযায়ী আমরা সর্বোচ্চ পর্যায়ের সমস্ত নিরাপত্তা ফুটবলার এবং তাদের পরিবারদের প্রদান করব।’ হান্স জোয়াকিমের আরও মত, ‘দর্শকদের নিয়ে লিগ চালুর করার যুক্তি আর্থিক দিক থেকে খুব একটা টেকসই হতো না। তাই দর্শক ছাড়া লিগে নামার কথা বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের মতো একটা ক্লাবের পক্ষে ভীষণ চ্যালেঞ্জিং হলেও আমাদের খানিকটা বাধ্য হয়েই মেনে নিতে হবে।’

উল্লেখ্য, করোনার জেরে দেড় লক্ষেরও বেশি আক্রান্ত এবং প্রায় সাড়ে ৭ হাজার মানুষের মৃত্যুর পরেও দেশে ফুটবল ফেরাতে সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে হিটলারের দেশ। লকডাউনে শিথিলতা জারি হওয়ায় সেদেশের সরকার আগেই জানিয়েছিল খুব শীঘ্রই দেশে ফিরতে চলেছে ফুটবল। দেশের ফুটবল সংস্থাকে মে’র মাঝামাঝি প্রিমিয়র ডিভিশন লিগ শুরুর অনুমতি দেওয়া হয়। সেই অনুমতি মোতাবেক বুন্দেসলিগা পুনরায় চালুর নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঘোষণা করল জার্মান ফুটবল লিগ।

দুই প্রতিবেশী দেশ নেদারল্যান্ড এবং ফ্রান্স যখন ঝুঁকি এড়িয়ে মাঝপথেই লিগ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তখন ১৫মে থেকে ফের শুরু হচ্ছে বুন্দেসলিগা। তবে ম্যাচগুলি অবশ্যই ক্লোজ-ডোর অনুষ্ঠিত হবে। বায়ার্ন মিউনিখ, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড সহ বুন্দেসলিগার অন্যান্য ক্লাবগুলি দলের ফুটবলারদের কার্যত নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা এবং পর্যবেক্ষণের মধ্যে রেখেছে। তাই ফুটবলারদের কোয়ারেন্টাইনের প্রয়োজন নেই বলেই জানিয়েছেন চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.